নৌ-অবরোধ বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি: পারস্য উপসাগর দিবসে পেজেশকিয়ানের হুঁশিয়ারি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০১-০৫-২০২৬ ১২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-০৫-২০২৬ ১২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যেকোনো ধরনের নৌ-অবরোধ বা সমুদ্রপথে বিধিনিষেধ আরোপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং এটি আঞ্চলিক স্বার্থ ও বিশ্বশান্তির জন্য চরম হুমকি। বৃহস্পতিবার জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, পারস্য উপসাগর ইরানিদের পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ইরানি জাতির প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, এ বছর এমন এক সময়ে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এই অঞ্চলের, বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব বিশ্ব দরবারে আবারও প্রমাণ করেছে।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, শত্রুরা এখন অর্থনৈতিক চাপের ক্ষেত্র পরিবর্তন করে নৌ-অবরোধ ও সমুদ্র বাণিজ্য পথে বাধা সৃষ্টিকে নতুন অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, পারস্য উপসাগর কারো একতরফা আধিপত্য বিস্তারের জায়গা নয়। এর নিরাপত্তা কেবল উপকূলীয় দেশগুলোর পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, বিদেশিদের উপস্থিতি বা হস্তক্ষেপ এ অঞ্চলে নিরাপত্তা আনবে না, বরং উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে। গত ৪০ দিনের সংঘাত প্রমাণ করেছে যে, আঞ্চলিক দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো এসব ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর হামলা চালানোয় সেগুলো আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
মাসুদ পেজেশকিয়ান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরান হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে তা অবশ্যই শত্রু দেশগুলোর জন্য নয় এবং ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শর্তে।
উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানে মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা ব্যর্থ হয়। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দর ও জাহাজগুলোর ওপর থেকে অবৈধ নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। তেহরান আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, অবরোধ বহাল থাকলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, পারস্য উপসাগর ইরানিদের পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ইরানি জাতির প্রতিরোধের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, এ বছর এমন এক সময়ে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এই অঞ্চলের, বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব বিশ্ব দরবারে আবারও প্রমাণ করেছে।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, শত্রুরা এখন অর্থনৈতিক চাপের ক্ষেত্র পরিবর্তন করে নৌ-অবরোধ ও সমুদ্র বাণিজ্য পথে বাধা সৃষ্টিকে নতুন অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, পারস্য উপসাগর কারো একতরফা আধিপত্য বিস্তারের জায়গা নয়। এর নিরাপত্তা কেবল উপকূলীয় দেশগুলোর পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, বিদেশিদের উপস্থিতি বা হস্তক্ষেপ এ অঞ্চলে নিরাপত্তা আনবে না, বরং উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে। গত ৪০ দিনের সংঘাত প্রমাণ করেছে যে, আঞ্চলিক দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো এসব ঘাঁটি থেকে ইরানের ওপর হামলা চালানোয় সেগুলো আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
মাসুদ পেজেশকিয়ান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরান হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে তা অবশ্যই শত্রু দেশগুলোর জন্য নয় এবং ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শর্তে।
উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানে মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা ব্যর্থ হয়। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দর ও জাহাজগুলোর ওপর থেকে অবৈধ নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। তেহরান আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, অবরোধ বহাল থাকলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।