ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ফোরামে চীনের কূটনীতির নিন্দা তাইওয়ানের শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিনেমাস্টার বাংলাদেশিদের জন্য ওয়াটারমার্ক ছাড়া ব্যবহারের সুযোগ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি ভারত-ইরান বাণিজ্য চুক্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ছায়েদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র

১৩ বছরেও শেষ হয়নি রানা প্লাজা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণে ধীরগতি, বিচার নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০৪-২০২৬ ১১:০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৪-২০২৬ ১১:০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৫১ বার পঠিত
১৩ বছরেও শেষ হয়নি রানা প্লাজা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণে ধীরগতি, বিচার নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ছবি: সংগৃহীত

১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত রানা প্লাজা ধসের মামলার বিচার এখনও সম্পন্ন হয়নি; মূলত সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ধীরগতির কারণে বিচারকাজ আটকে আছে। দীর্ঘসূত্রিতায় বিচার পাওয়া নিয়ে ভুক্তভোগী ও আইনজীবীদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা ও অনিশ্চয়তা।
 

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল ঢাকার সাভারে সংঘটিত রানা প্লাজা ধস দেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। এ ঘটনায় প্রাণ হারান ১,১৩৬ জন, আহত হন আরও হাজারো শ্রমিক। ঘটনার পর দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে নিরাপত্তা ও শ্রমমান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সংস্কার উদ্যোগ দেখা গেলেও বিচারিক অগ্রগতি সেই তুলনায় সীমিত রয়ে গেছে।
 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে কেবল ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের একটি তুলনামূলক ছোট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। অবহেলায় হত্যাসহ বাকি তিনটি মামলা এখনও বিচারিক পর্যায়েই রয়ে গেছে এবং উচ্চতর ধাপে অগ্রসর হতে পারেনি।
 

বিশেষ করে হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া ধীরগতির অন্যতম কারণ হিসেবে সামনে এসেছে। মোট ৫৯৪ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে ৩০ এপ্রিল। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ৪১ জন আসামির মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ছাড়া অনেকে পলাতক বা জামিনে রয়েছেন।
 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা মনে করেন, এত বড় মানবিক বিপর্যয়ের মামলায় পূর্ববর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেয়া হয়নি। তাদের অভিযোগ, বিচার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব ও সদিচ্ছার অভাব ছিল, যা মামলার অগ্রগতিকে ব্যাহত করেছে।
 

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও দ্রুত বিচার সম্পন্নের পক্ষে মত দিয়েছেন। তাদের মতে, অবশিষ্ট সাক্ষীদের দ্রুত হাজির করে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জরুরি, যাতে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে এগোয়।

আইনজীবীদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বর্তমান গতিতে বিচার প্রক্রিয়া চলতে থাকলে চলতি বছরের মধ্যে এ মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে হতাশা আরও গভীর হচ্ছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।