ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৬-০৩-২০২৬ ১২:২২:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৩-২০২৬ ১২:২২:২৯ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৪ বার পঠিত
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে। সংবিধানে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সংস্কার পরিষদের শপথ বা অন্যান্য বিষয় আসবে। তিনি বলেন, গণভোটে জনগণের রায়কে সরকার সম্মান করে। তবে আদেশের মধ্যে এমন কিছু প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা জুলাই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ ছিল না। চারটি ভিন্ন প্রশ্নের জন্য একটি মাত্র ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল, যা যৌক্তিক ছিল না।
 
গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।
 
জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান ও আইন মেনেই পরিচালিত হয়।
 
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তা কোনো অবৈধ বা আরোপিত আদেশের মাধ্যমে নয়, বরং সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে হবে।
 
তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা যায় না। অথচ গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ কোনো অধ্যাদেশ বা আইন নয়।
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই আদেশের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়া এবং রাষ্ট্রপতির কাছে অধিবেশন আহ্বানের দাবি অসাংবিধানিক। চলতি অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল আনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিনেই সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সামনে দীর্ঘ ছুটি থাকায় এই অধিবেশনে সময় পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত হলে আগামী বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।
 
বিরোধীদলীয় নেতাকে কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জাতির কাছে অঙ্গীকার করেছি যে, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি শব্দকে সম্মান করব। আসুন, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভাষণ দিয়েছেন। আমাদের বিরোধীদলীয় বন্ধুরা সেই ভাষণ শুনতে চাননি, তারা সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেছেন। কিন্তু সেই ভাষণের উপর আলোচনার জন্য তারা ৫০ ঘণ্টা বরাদ্দ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যদি রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হয়, তাহলে সংখ্যানুপাতে সময় বরাদ্দ করা হবে।
 
এর আগে ডা. শফিকুর রহমান অবিলম্বে প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।