চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি–রপ্তানি নথির অ্যাসেসমেন্ট, পণ্য চালান খালাসসহ কাস্টমস সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা পাবেন সেবাগ্রহীতারা। তবে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সেবাগ্রহীতারা বলছেন, চট্টগ্রাম কাস্টমস খোলা কাস্টমস রাখা সিদ্ধান্ত এক প্রকার ফরমায়েসি সিদ্ধান্ত। এতে সেবাগ্রহীতাদের কোনো উপকার হবে না। কারণ ইতোমধ্যে রাস্তায় গণপরিবহন কমে গেছে। ছুটির কারণে অধিকাংশ সিএন্ডএফ কর্মী গ্রামের বাড়িতে চলে গেছে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন দৈনিক আজাদীকে বলেন, কাস্টম হাউস খোলা রাখার বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট সকল সেবাগ্রহীতাদের আগে থেকেই জানিয়ে রেখেছি। আমার দিক থেকে আমরা আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য সচেষ্ট রয়েছি।
ডেস্ক রিপোর্ট