উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে অধিকাংশই ‘দুবাই ক্রোকারিজ’ নামক দোকানের ভেতর পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের ভাষ্যমতে, আগুন লাগার পর দোকানের ভেতর আটকা পড়া ব্যক্তিরা ধারণা করেছিলেন সেখানেই তারা নিরাপদ থাকবেন এবং দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে ডিএনএ পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
গত শনিবার রাতে এম এ জিন্নাহ রোডের এই ঐতিহ্যবাহী শপিং কমপ্লেক্সে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রায় ১ হাজার ২০০ দোকানের এই বিশাল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করা হলেও কয়েক দফায় ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা গেছে। আগুনের প্রচণ্ড তাপে ভবনের একাংশ ধসে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাধারণ সময়ে রাত ১০টায় মার্কেট বন্ধ হলেও বিয়ের কেনাকাটার জন্য সেদিন গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। বর্তমানে পুরো এলাকা সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলছে। (সূত্র: ডন)
ডেস্ক রিপোর্ট