স্মার্ট অস্ত্র ও নতুন কৌশলে শক্তিশালী হচ্ছে ইরানের সেনাবাহিনী
ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে তেহরান।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
স্মার্ট প্রযুক্তির আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সংযোজন এবং নতুন যুদ্ধকৌশল গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে ইরানের সেনাবাহিনীর পদাতিক বাহিনী। একই সঙ্গে বাহিনীর মাঠপর্যায়ের সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পদাতিক বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহী।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
জেনারেল জাহানশাহী জানান, মাঠপর্যায়ের পদাতিক ইউনিটগুলোকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এবং নেটওয়ার্কযুক্ত আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করা হয়েছে। বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধপ্রস্তুতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসব পদ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের যেকোনো সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই উন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সম্প্রতি ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা বা আগ্রাসন প্রতিহত করতে প্রয়োজনবোধে ভবিষ্যতে অগ্রিম বা প্রতিরোধমূলক সামরিক অভিযান চালানো হবে। ইতোমধ্যে বিগত সংঘাতের সময়ও এই ধরণের প্রতিরোধমূলক হামলা সফলভাবে পরিচালনা করা হয়েছে বলে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
গত ৭ অক্টোবর ইরানের সেনাবাহিনী তাদের সামরিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা প্রকাশ করে। নতুন এই কৌশল অনুযায়ী, বাহিনীটি তাদের প্রথাগত প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে আক্রমণাত্মক ও প্রতিহত করার নীতি গ্রহণ করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শত্রুভাবাপন্ন শক্তিগুলোর হুমকি বাস্তবে রূপ নেওয়ার আগেই তা নস্যাৎ করে দিতে আগাম হামলা চালানোর নীতিকেই এখন অগ্রাধিকার দিচ্ছে ইরান।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।