শেখ হাসিনাকে আশ্রয় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে বাধা: মুশফিকুল
শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৭:৫২:১২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ০৭:৫২:৫১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ভারতে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তাঁর মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতকে এ দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা বুঝে নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আসাঙ্গা আবেয়াগোনাসেকারার নতুন বই ‘উইন্ডস অব চেঞ্জ: জিওপলিটিক্স অ্যাট দ্য ক্রসরোডস অব সাউথ অ্যান্ড সাউথইস্ট এশিয়া’ নিয়ে আয়োজিত আলোচনায় অতিথি বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেন মুশফিকুল ফজল আনসারী।
আলোচনায় পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা, যুক্তরাষ্ট্র-চীন ও চীন-ভারত ভূরাজনীতি এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়। এতে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন দ্য মিলেনিয়াম প্রজেক্টের নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জেরোম সি. গ্লেন এবং আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গ্লোবাল ফোরসাইট স্ট্র্যাটেজিসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী প্যাটি মরিস। মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে ভারতের আরও সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাঁকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জবাবদিহিমূলক সরকারের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসব প্রত্যাশাকে বাস্তব পরিবর্তনে রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের কণ্ঠস্বর ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশের প্রতি চীনের সহযোগিতামূলক মনোভাবকে স্বাগত জানিয়ে আনসারী বলেন, উন্নয়ন ও মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে এই অংশীদারিকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক লালগালিচা অভ্যর্থনাকে তিনি সংলাপ ও সহযোগিতার গুরুত্বের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত ও চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্প্রসারণের পক্ষে বাংলাদেশ। তবে এই বন্ধুত্ব হতে হবে সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতে। নিজ জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা বাংলাদেশের থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে রবার্ট এফ. কেনেডির কন্যা ক্যাথলিন কেনেডি, ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের মার্ক শোয়েফ জুনিয়রসহ সাংবাদিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনে অংশ নেওয়া অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বইটির লেখক আসাঙ্গা আবেয়াগোনাসেকারা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
আলোচনায় পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা, যুক্তরাষ্ট্র-চীন ও চীন-ভারত ভূরাজনীতি এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়। এতে প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন দ্য মিলেনিয়াম প্রজেক্টের নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জেরোম সি. গ্লেন এবং আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গ্লোবাল ফোরসাইট স্ট্র্যাটেজিসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী প্যাটি মরিস। মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে ভারতের আরও সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাঁকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জবাবদিহিমূলক সরকারের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসব প্রত্যাশাকে বাস্তব পরিবর্তনে রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের কণ্ঠস্বর ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশের প্রতি চীনের সহযোগিতামূলক মনোভাবকে স্বাগত জানিয়ে আনসারী বলেন, উন্নয়ন ও মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে এই অংশীদারিকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক লালগালিচা অভ্যর্থনাকে তিনি সংলাপ ও সহযোগিতার গুরুত্বের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত ও চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্প্রসারণের পক্ষে বাংলাদেশ। তবে এই বন্ধুত্ব হতে হবে সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতে। নিজ জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা বাংলাদেশের থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে রবার্ট এফ. কেনেডির কন্যা ক্যাথলিন কেনেডি, ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের মার্ক শোয়েফ জুনিয়রসহ সাংবাদিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনে অংশ নেওয়া অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বইটির লেখক আসাঙ্গা আবেয়াগোনাসেকারা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।