ঢাকা , শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ , ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া দুই ঈদকে সরকারি ছুটির স্বীকৃতি ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগ সৌদি জোটের,হুতিদের অস্বীকার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলে ভরা মৌসুমেও মিলছে না ইলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের ‘হ্যালো ডিসি’ চালুর পরিকল্পনা সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়: 'অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজ' চালুর ঘোষণা মিরপুরের ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনেভা ক্যাম্পের পিচ্চি রাজা: সোর্স থেকে মাদক কারবারের শীর্ষে এআই অসৎ লোকের হাতে পড়লে ১০০ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে: বিল গেটস জানুয়ারির অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাকৃবির ১০ তলা হলে লিফট নেই, না খেয়েই দিন কাটছে ছাত্রীদের র‌্যাবের পর এসআরবি, বদলেছে নাম ও আইনি কাঠামো তারেক রহমান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক জাতিসংঘে শান্তিপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের সুপার এল নিনো কি, কিভাবে এটা আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে? গাজায় ট্রাম্পের শান্তি দাবি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ম্যাক্রো তেল ও গ্যাস সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে রাজি আছে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

যেসব কারণে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে ব্যক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হয় না

ব্যক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৬ ১০:০৮:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৬ ১০:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৬ বার পঠিত
যেসব কারণে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে ব্যক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হয় না প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
ব্যক্তিগত সহায়তা প্রদান করার ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান এবং সীমাবদ্ধতাগুলো জানিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শায়েখ আহমাদুল্লাহ একটি ফেইসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানান-

প্রতিদিন আমাদের কাছে অসংখ্য মানুষের আবেদন আসে। সরাসরি অফিসে, ফেসবুকে কিংবা ইমেইলে।
কেউ ৫ হাজার টাকার ঋণে দিশেহারা, কারো ঋণ আবার ৫০ কোটি টাকা।

প্রতিটি আবেদনই সংবেদনশীল, আমাদেরকে ব্যথিত করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিদিন যে পরিমাণ আবেদন আসে, তার মোট পরিমাণ আমাদের পুরো বছরের বাজেটের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি।

বিশাল জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশের পুরো বছরের মোট জাতীয় বাজেট প্রায় ৯ লক্ষ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ বাজেটের পরও মানুষের বহুমুখী সমস্যা ও স্বাস্থ্য খাতের সংকট পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয় না।

সেখানে বছরে মাত্র ১০০ কোটি টাকা বাজেটের একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান থেকে সব ধরনের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। চাহিদার মহাসমুদ্রের বিপরীতে আমাদের সামর্থ্য অত্যন্ত সীমিত।

এই সীমিত বাজেট দিয়ে যদি আমরা ব্যক্তিগত ঋণ বা চিকিৎসার জন্য সরাসরি নগদ অর্থ বিতরণ শুরু করি, তবে বড় একটি নীতিগত ও প্রশাসনিক সংকট তৈরি হবে।

দেখা যাবে, বিভিন্ন সুপারিশ, তদবির বা চেনাজানার বৃত্তেই পুরো তহবিল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেই প্রান্তিক অভাবী মানুষ, যার সুপারিশ করার কেউ নেই, সেই মানুষগুলো পুরোপুরি বঞ্চিত হবে। যা কখনো একটি আদর্শ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানের নীতি হতে পারে না।

আমরা মনে করি, একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ কেবল তাৎক্ষণিক টাকা বিতরণ করা নয়। বরং দাতার আমানতের সর্বোচ্চ ‘ভ্যালু ক্রিয়েট’ করা। যা একজন দাতার ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা সম্ভব নয়।

একটি বাস্তব উদাহরণ দেওয়া যাক। গত বছর আমরা ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ টি ট্রেডে ২,১০০ জনেরও বেশি নারী-পুরুষকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

আলহামদুলিল্লাহ, প্রথম বছর শেষেই সেই শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আয় করেছেন প্রায় ৪২ কোটি টাকা, যা প্রতি বছর বাড়তেই থাকবে।

১৩ কোটি টাকা সরাসরি বিলিয়ে দিলে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে উপকৃত হতেন এবং টাকাটা ওখানেই শেষ হয়ে যেত।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার কারণে সেই একই টাকা একসময় হাজার কোটি টাকার স্থায়ী কল্যাণে রূপ নেবে, ইনশাআল্লাহ।

কাউকে প্রতিদিন মাছ কিনে দেওয়ার চেয়ে তাকে মাছ ধরা শিখিয়ে দেয়া আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মূল দর্শন।

হ্যাঁ, ব্যক্তিগতভাবে ঋণগ্রস্তকে সাহায্য করা বা চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।
তবে এক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের চেয়ে ব্যক্তিগত, মসজিদভিত্তিক বা এলাকাভিত্তিক উদ্যোগ বেশি সহজ ও কার্যকর। কারণ আবেদনকারীদের আবেদনগুলো এলাকাবাসীর জন্য যাচাই করা সহজ।

কেন আমরা প্রজেক্টভিত্তিক কাজ করি?
এর প্রধান কারণ স্বচ্ছতা। কোন খাতের অনুদান কোন প্রজেক্টে ব্যয় হবে, তা আমাদের ওয়েবসাইটে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে। ফলে দাতার আমানত খেয়ানত হওয়ার সুযোগ নেই।

আরেকটি কারণ ইনসাফ। প্রতিটি প্রজেক্টে নির্ধারিত নিয়মে আমাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেইজে ঘোষণা দিয়ে উন্মুক্ত আবেদন আহ্বান করা হয়। এরপর মাঠপর্যায়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত হকদারদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। এখানে স্বজনপ্রীতি বা সুপারিশের কোনো স্থান নেই।

আল্লাহর রহমতের পর আপনাদের দোয়া, আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের পথচলার মূল শক্তি। আল্লাহ আমাদের সবার নেক প্রচেষ্টাগুলো কবুল করুন। আমীন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।