ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার পণ্য উধাও দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক: ৭ মাসে জিডি প্রায় ১৬ হাজার ২০২৮ সালে বড় সংস্কার, ২০২৭ থেকেই নতুন শিক্ষাক্রম তিব্বতে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, ঝুঁকিতে গিরিওং বন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় দুই লাখ কর্মী যাওয়ার তথ্য সঠিক নয়: ফাহমি ফাদজিল

মালয়েশিয়া আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দুই লাখ কর্মী নেবে বলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যে দাবি করেছেন, তাকে কুয়ালালামপুরের পক্ষ থেকে দেশটির সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র যোগামন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০২-০৯-২০২৬ ১১:১০:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৯-২০২৬ ১১:১০:৫৮ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৯ বার পঠিত
মালয়েশিয়ায় দুই লাখ কর্মী যাওয়ার তথ্য সঠিক নয়: ফাহমি ফাদজিল ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দুই লাখ কর্মী নেবে বলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যে দাবি করেছেন, তাকে বাংলাদেশের সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র যোগামন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল।
 
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ফাহমি ফাদজিল এ কথা জানান। খবর নিউ স্ট্রেইটস টাইমস ও মালয়মেইলের।
 
ফাহমি বলেছেন, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী আর রামানান তাকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রীর দেয়া ওই বক্তব্যকে বাংলাদেশের সরকারের ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে দেখা উচিত হবে না।’
 
তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তিনি আমাকে জানিয়েছেন, এটি বাংলাদেশ সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নয়। আমি যতটুকু বুঝেছি, এটি একজন জুনিয়র মন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য। তাই এটি বাংলাদেশ সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের প্রতিনিধিত্ব করে না।
 
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছিলেন, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই লাখ কর্মী নেবে।
 
সেদিন সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শুহাদা ওসমানের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের ওই তথ্য দেন।
 
শাহে আলম বলেছিলেন, মালয়েশিয়া অনুমোদিত কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মী নেবে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ ধাপে ধাপে কর্মী পাঠানো শুরু হবে এবং ছয় মাসের মধ্যে প্রক্রিয়াটি শেষ হবে বলে রাষ্ট্রদূত তাকে জানিয়েছেন।
 
এ ছাড়া আরও ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় নেয়া হবে বলেও তথ্য দিয়েছিলেন তিনি।
 
এর মধ্যে মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্রের সর্বশেষ বক্তব্যে দুই লাখ কর্মী নেয়ার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে অস্পষ্টতা তৈরি হলো।
 
ফাহমি বলেছেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেই।
 
নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে এ বিষয়ে আরও ব্যাখ্যার জন্য মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রামানানের বক্তব্য জানতে চেয়েছে তারা।
 
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাস ধরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
 
গত জুনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানান।
 
এর আগে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম, দালালচক্র ও শোষণের অভিযোগের মধ্যে ২০২৪ সালে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ সীমিত করে মালয়েশিয়া। শ্রমিকদের ঋণের ফাঁদে ফেলা, জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা এবং প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল সে সময়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।