টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো বসছে ঐতিহ্যবাহী ‘মিষ্টি উৎসব’
শতবর্ষের চমচম, জিআই শাড়ি ও স্থানীয় পণ্যের প্রদর্শনী নিয়ে পৌর উদ্যানে ৩ দিনের আয়োজন
- আপলোড সময় : ০২-০৯-২০২৬ ১১:৩১:৪৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০১:৫৬:০০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৮৬ বার পঠিত
ছবি - এআই জেনারেটেড
টাঙ্গাইলের শতবর্ষী মিষ্টিশিল্প ও স্থানীয় লোকজ ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে নতুনভাবে তুলে ধরতে জেলায় প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘মিষ্টি উৎসব-২০২৬’। জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে আগামী ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে এই প্রদর্শনী ও মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ৩১ আগস্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবটির লোগো ও সময়সূচি উন্মোচন করা হয়।
জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সরাসরি দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ উৎসবের মূল লক্ষ্য মূলত ‘ব্র্যান্ড টাঙ্গাইল’ গড়ে তোলা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি তৈরির সঙ্গে যুক্ত থাকা স্থানীয় কারিগরদের দক্ষতা প্রদর্শনের পাশাপাশি তরুণদের জন্য নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্র তৈরি করাই এই উদ্যোগের মুখ্য উদ্দেশ্য। এছাড়া স্থানীয় উৎপাদকদের সঙ্গে সরাসরি ক্রেতা ও নতুন বাজারের যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে জেলার সার্বিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা হবে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে কেবল সুস্বাদু মিষ্টিই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির এক বিশাল প্রদর্শনী। একই সাথে টাঙ্গাইলের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃত পণ্য—যেমন বিখ্যাত পোড়াবাড়ির চমচম, সন্দেশ এবং মধুপুরের সুমিষ্ট আনারসসহ স্থানীয় অনন্য সব পণ্যসামগ্রী দর্শনার্থী ও পর্যটকদের সামনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়, টাঙ্গাইলের জিআই পণ্যগুলো শুধু একটি নির্দিষ্ট জেলার সম্পদ নয়, বরং এগুলো পুরো বাংলাদেশের জাতীয় গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। এই বার্তাকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি উৎসবটির মাধ্যমে স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, মিষ্টি কারিগর ও প্রান্তিক তাঁতিদের সার্বিক ব্যবসায়িক প্রসারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।