বর্তমানে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ সম্পন্ন হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার আশঙ্কায় এই নৌপথটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই সংকট মোকাবিলায় এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতেই এই শক্তিশালী জোট গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ছাড়াও এই জোটে যুক্ত হওয়া অন্য দেশগুলো হলো—সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান, মিসর, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস। সৌদি আরবে এই জোটের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে।
জোটের মূল লক্ষ্য হলো লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সমন্বিত সামরিক পরিকল্পনা তৈরি এবং নিয়মিত যৌথ মহড়া পরিচালনা করা। প্রয়োজনে এই নৌপথের নিরাপত্তা রক্ষায় সদস্য দেশগুলো যৌথ অভিযানেও অংশ নিতে পারবে। তবে সৌদি সরকার স্পষ্ট করেছে যে, এই জোটটি সম্পূর্ণ ‘প্রতিরক্ষামূলক’ এবং এটি নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গঠিত হয়নি। ভবিষ্যতে আগ্রহী অন্য দেশগুলোর জন্যও এই জোটে যোগ দেওয়ার পথ খোলা রাখা হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট