আইআরআইবির প্রতিবেদনে এক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে ‘অননুমোদিত ও ঝুঁকিপূর্ণ’ পথে অতিক্রমের চেষ্টা করে। এ সময় তারা নিজেদের নেভিগেশন ও অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থা (AIS) বন্ধ করে রেখেছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জাহাজগুলো ওই পথে চলাচলের মাধ্যমে এলাকায় অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনীকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছিল।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, আটক ছয়টি জাহাজের মধ্যে একটি একটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাকি পাঁচটি জাহাজকে ইরানি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে আবার পারস্য উপসাগরের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে জাহাজগুলোর নাম, কোন দেশের পতাকাবাহী ছিল, ক্রুদের পরিচয় কিংবা দুর্ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি আইআরআইবি।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটির সূত্র আরও দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য নির্ধারিত নৌপথ স্পষ্টভাবে চিহ্নিত রয়েছে। ওই নির্ধারিত পথের বাইরে অন্য যেকোনো রুট বিপজ্জনক এবং চলাচলের অনুপযোগী বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ইরানের দাবির স্বাধীন বা নিরপেক্ষ যাচাইও এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।