হরমুজে ‘সর্বাধুনিক প্রযুক্তির’ মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ই
হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে মার্কিন Dive-LD চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের; যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ড্রোনটি পুরোনো ও ত্রুটিগ্রস্ত ছিল
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ১১:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ১১:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৮০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এর মাধ্যমে যুদ্ধে পানির নিচে চালকবিহীন ডুবোযান ব্যবহারের একটি বিরল ঘটনা সামনে এলো।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, জব্দ করা ডুবোযানটি ডাইভ-এলডি মডেলের বড় আকারের স্বয়ংক্রিয় যান। ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল এটি তৈরি করেছে। প্রায় ১৯ ফুট দীর্ঘ ডুবোযানটি মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পানির নিচের ক্যাবল ও পাইপলাইন পরিদর্শনে সক্ষম।
আইআরজিসির নৌবাহিনী বলেছে, ‘সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে’ সজ্জিত মার্কিন ডুবোযানটি হরমুজের প্রবেশমুখ থেকে আটক করা হয়েছে।
তবে পেন্টাগনের দাবি, ড্রোনটি এক দিনেরও বেশি আগে যান্ত্রিক ত্রুটির শিকার হয়ে বিকল হয়েছিল। এটি আঞ্চলিক জলসীমা জরিপের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। পেন্টাগন বলেছে, ড্রোনটি পুরোনো মডেলের এবং এতে কোনো সংবেদনশীল তথ্য বা গোপন সোনার-রাডার সরঞ্জাম ছিল না।
অ্যান্ডুরিলও একটি ডুবোযান হারানোর কথা নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ডাইভ-এলডি এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের জন্য তৈরি, যেখানে যানটি হারানোর সম্ভাবনা আগে থেকেই বিবেচনায় থাকে।
অ্যান্ডুরিলের তথ্য অনুযায়ী, ডুবোযানটি ঘাঁটিতে না ফিরে ১০ দিন পর্যন্ত চলতে পারে এবং প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরে যেতে পারে। প্রতিটি ইউনিটের দাম প্রায় ২৫ লাখ ডলার।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।