ফিলিপাইনের পালাওয়ান উপকূলে যাত্রীবোঝাই একটি ফেরিতে আগুন লেগে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো ৮৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবারের এ দুর্ঘটনার পর ৪২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের মধ্যেও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্রের তথ্যের বরাতে স্থানীয় একটি রেডিওর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যমগুলো কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত ফেরিটির নাম এমভি জুন অ্যাস্টার। এতে মোট ১৩৪ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১১৭ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু সদস্য। নিহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ফেরিটি রাজধানী ম্যানিলার একটি বন্দর থেকে পালাওয়ানের করোন দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে এতে আগুন ধরে যায়। আগুন লাগার সময় ফেরিটি বারাঙ্গাই মারসিলার প্রায় ১ দশমিক ২ নটিক্যাল মাইল বা ২ দশমিক ২ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে অবস্থান করছিল।
করোন ফিলিপাইনের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা। স্বচ্ছ সমুদ্রের পানি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে পর্যটকদের পাশাপাশি স্কুবা ডাইভারদের কাছেও অঞ্চলটি পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওই উপকূলে বেশ কয়েকটি জাপানি জাহাজ ডুবে যাওয়ায় সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ দেখতে ডুবুরিদের আগ্রহও রয়েছে।
বহু দ্বীপ নিয়ে গঠিত ফিলিপাইনে নৌপথে ফেরি দুর্ঘটনার ঘটনা নতুন নয়। ২০২৩ সালে দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে এমভি লেডি মেরি জয় ৩ নামের একটি যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন লেগে ৩১ জন নিহত হয়েছিলেন। ফেরিটি মিন্দানাও দ্বীপের জাম্বোয়াঙ্গা সিটি থেকে বাসিলান দ্বীপের উদ্দেশে যাচ্ছিল।