ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে পাওনিয়ার বেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি ও পিটিশন কমিটির সভাপতি হলেন স্পিকার আরব আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে জাতিসংঘে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ভারতের তিন আন্তঃদেশীয় ট্রেন ফের চালুর আলোচনা সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, জানাল হুতি গণমাধ্যম মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা এআইয়ের ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাড়ছে অনলাইন প্রতারণা বিদ্যুৎ নিয়ে কটূক্তিতে গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর এক ঠিকানায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য নিয়ে এলো ‘অ্যাডমিশন হাব’

এভারেস্টে বছরে ২ হাজার ৫০০ টন বরফ গলছে কেন

জ্বালানি পোড়ানো ও হিমবাহে মূত্র ফেলার তাপও বরফ গলানোর কারণ বলে গবেষণায় উঠে এসেছে
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ১০:৪৭:০৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ১০:৪৭:০৬ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৫ বার পঠিত
এভারেস্টে বছরে ২ হাজার ৫০০ টন বরফ গলছে কেন ছবি—সংগৃহীত।

এভারেস্টের খুম্বু হিমবাহে বরফ গলার পেছনে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের পাশাপাশি মানুষের কার্যক্রমও ভূমিকা রাখছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পে জ্বালানি পোড়ানো এবং হিমবাহের ওপর সরাসরি মূত্র ফেলার ফলে বছরে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টন বরফ ও তুষার গলে যেতে পারে।

 

হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহের অংশ ধসে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢল ও কাদাপানির আকস্মিক বন্যা সাম্প্রতিক সময়ে বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি সামনে এনেছে। গত ২৬ আগস্ট নেপাল ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় এমন এক ঘটনায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এখনো পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে বলে দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন জলবায়ু ও পরিবেশবিজ্ঞানীরা। তবে নতুন গবেষণাটি দেখিয়েছে, স্থানীয়ভাবে মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও হিমবাহে অতিরিক্ত তাপ পৌঁছাতে পারে।
 

একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল এভারেস্টের নেপাল অংশে অবস্থিত খুম্বু হিমবাহ নিয়ে গবেষণাটি পরিচালনা করেছে। ২০২৩ সালের বসন্ত মৌসুমে ৫০ দিনের হিসাব বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, বেজ ক্যাম্পের প্রায় ১ হাজার ৬০০টি তাঁবুতে রান্না, তাঁবু গরম রাখা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৮২৪টি এলপিজি সিলিন্ডার, ১৮ হাজার ৯৩৫ লিটার কেরোসিন এবং ৫ হাজার ১৩০ লিটার পেট্রল ব্যবহার করা হয়।
 

গবেষণায় বলা হয়েছে, এসব জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন তাপের পাশাপাশি মানুষের মূত্র থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তাপ তৈরি হয়। পর্বতারোহী ও গাইডরা উচ্চতায় পানিশূন্যতা এড়াতে বেশি পানি পান করায় বেজ ক্যাম্পে প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার লিটার মূত্র উৎপন্ন হয়। কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ করে নিচে নামিয়ে আনা হলেও বিপুল পরিমাণ মূত্র সরাসরি হিমবাহের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।
 

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, জ্বালানি ও মূত্র থেকে উৎপন্ন মোট শক্তির পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৪ মেগাজুল। এই শক্তি আনুমানিক ২ হাজার ৪৯২ টন বরফ ও তুষার গলানোর জন্য যথেষ্ট। হিসাবের ত্রুটির সীমা বিবেচনায় সম্ভাব্য পরিমাণ ১ হাজার ৯৬৪ থেকে ৩ হাজার ২০ টনের মধ্যে হতে পারে।
 

শুধু মূত্রের তাপের হিসাব ধরলেও এক মৌসুমে প্রায় ১৫৪ টন বরফ গলে যেতে পারে বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। গবেষণাটি রিজিওনাল এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। বসন্তের পর্বতারোহণ মৌসুমে হাজারো পর্বতারোহী, গাইড ও সহায়ক কর্মীর উপস্থিতিতে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্প একটি ব্যস্ত পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়। সেখানে কফির ক্যাফে, বড় পর্দার টেলিভিশন, উচ্চগতির ইন্টারনেট, গরম পানির ঝরনা এবং তাঁবুর মেঝে গরম রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।