তরুণরা এগিয়ে এলে দেশে রক্তের সংকট থাকবে না: ঢাবি উপাচার্য
বছরে অন্তত একবার স্বেচ্ছায় রক্তদানের আহ্বান
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০২:০১:৪৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০২:০১:৪৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
দেশের রক্তের সংকট পূরণে তরুণদের আরও বেশি করে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ। তারা বছরে অন্তত একবার নিয়মিত রক্তদান করলে দেশে আর রক্তসংকট থাকবে না।
মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক।
অনুষ্ঠানে অন্তত ৩ বার, ১০ বার, ২৫ বার ও ৫০ বার রক্তদানকারী তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাদের হাতে সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন ঢাবি উপাচার্য।
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননার এ আয়োজন নতুন বাংলাদেশ গঠনে নতুন ভাবনার একটি বিশেষ উপলক্ষ। দেশের রক্তের চাহিদা পূরণে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাদের তিনি মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণের পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশপ্রেম শুধু আবেগ বা স্লোগানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিজের দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করা এবং দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানোই দেশপ্রেমের বাস্তব প্রকাশ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের পরিচালক এম. রেজাউল হাসান। স্বেচ্ছায় রক্তদানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ৫১ বার রক্তদানকারী প্লাটিনাম রক্তদাতা কাজী হাসান আলী, ২৬ বার রক্তদানকারী গোল্ডেন রক্তদাতা রেজেকা সুলতানা এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত নিয়মিত রক্তগ্রহীতা মাসুমা হোসেন তন্নী।
আয়োজকরা জানান, সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি স্বেচ্ছা রক্তদাতার ডোনার পুল নিয়ে কোয়ান্টাম ল্যাব ২০০০ সাল থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ১৮ লাখের বেশি মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত ও রক্ত উপাদান দিয়ে সহায়তা করেছে।
কোয়ান্টামের ডোনারদের মধ্যে ৫০ বা তার বেশি বার রক্তদানকারী প্লাটিনাম ডোনার রয়েছেন ১৯৬ জন। ২৫ থেকে ৪৯ বার রক্তদানকারী গোল্ডেন ডোনার ৩ হাজার ১৩৮ জন, ১০ থেকে ২৪ বার রক্তদানকারী সিলভার ডোনার ১৩ হাজার ৮৩ জন এবং অন্তত তিনবার রক্তদানকারী লাইফ লং ডোনারের সংখ্যা ৫৮ হাজারের বেশি।
আলোচকরা নিয়মিত রক্তদানের মাধ্যমে একাধিক মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচানোর সুযোগের কথা তুলে ধরে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে দেশের রক্তের চাহিদা পূরণে বিশেষ করে তরুণদের আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর