কিয়েভসহ একাধিক শহরে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
জেলেনস্কির সতর্কবার্তার পর ইউক্রেনজুড়ে বড় হামলার আশঙ্কা বাস্তবায়ন
- আপলোড সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১০:২৭:৪২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১০:২৭:৪২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দিনিপ্রো ও ক্রিভি রিহ শহরে রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিমান বাহিনী, যা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আগাম সতর্কবার্তার পর নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই ভোরে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, প্রথম দফার হামলার পর আরও ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের দিকে ছোড়া হয়। শহরজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো সতর্ক করে বলেন, আরও হামলার আশঙ্কা রয়েছে এবং নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে অনুরোধ করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বহু মানুষ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন, কেউ মেঝেতে কম্বল পেতে আবার কেউ অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করে রাত কাটাচ্ছেন।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর একটি প্রতিবেদনে রাশিয়ার সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির কথা উল্লেখ রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যেকোনো সময় দেশজুড়ে হামলা শুরু হতে পারে। এর আগের দিন তিনি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেনের জন্য অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনুরোধ জানান।
এদিকে, চলমান সংঘাতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। মঙ্গলবার রাশিয়ার বেলগোরদে একটি যাত্রীবাহী বাসে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে মস্কোর দিকে প্রায় ৪০০ ড্রোন ছোড়া হয়, যার ফলে আবাসিক ভবনসহ কয়েকটি স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, কৃষ্ণসাগর অঞ্চলেও উত্তেজনা বাড়ছে। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসার কাছে নোঙর করা লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি বেসামরিক জাহাজে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি মিকোলাইভ বন্দরের দিকে আরও দুটি জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের এই পর্যায়ে কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক নৌপরিবহন ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।