ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস কমিয়ে শিল্পে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর মহারাষ্ট্রের সরকারি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: তিন নবজাতকের মৃত্যু ‘জেন-জি’ প্রজন্মের মন জয় করতে ইনস্টাগ্রামে কৌশল বদলাচ্ছেন মোদি বঙ্গোপসাগরে কার্গো জাহাজডুবি: নিখোঁজ বাংলাদেশি নাবিকসহ ২৪ জন ঢাকার বাস টার্মিনাল স্থানান্তর থমকে: নেপথ্যে চাঁদাবাজি ? সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সরকার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী জাতীয় ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ, শুরু হবে পাইলট প্রকল্প জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন, মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি নিয়ে জল্পনা যানজট নিয়ন্ত্রণে ড্রোন নজরদারি চালু করছে ডিএমপি আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল ঝুঁকি সত্ত্বেও ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধের সম্ভাবনা কম চীনের ফ্রান্সে রেকর্ড তাপপ্রবাহে মৃত্যুর মিছিল: প্রাণ হারালেন ৭ হাজারের বেশি ট্রাম্পের জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ‘ইরানের ভূখণ্ড’ দাবি ইরানের জ্বালানি তেলের মজুত ৬ মাসে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা সরকারের ৫০তম বিসিএসের দ্বিতীয় পর্যায়ের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ বায়তুল মোকাররমে এসি স্থাপনের নামে মূল আর্চ ভাঙার অভিযোগ ব্যাটারিচালিত রিকশায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান

কক্সবাজারে বন্যায় ৪০টি ইউনিয়ন প্লাবিত, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১০-০৭-২০২৬ ১২:২৪:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৭-২০২৬ ১২:২৪:৫৯ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৫ বার পঠিত
কক্সবাজারে বন্যায় ৪০টি ইউনিয়ন প্লাবিত, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি ছবি: সংগৃহীত
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার অন্তত ৪০টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এদিকে জেলার প্রধান দুই নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 
 
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ধসের ঘটনায় গত চার দিনে জেলায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছ। জেলার অধিকাংশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছে সড়ক যোগাযোগ, বন্ধ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সব নৌপথ। 
 
পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা ও বন্যাকবলিত নিচু স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 
 
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার, ত্রাণ ও জরুরি সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
 
জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ঈদগাঁও ও মাতামুহুরী এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হয়েছে। বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
 
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া ও পেকুয়ার রাজাখালী, মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মাছের ঘেরে পানি আটকে থাকায় জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে।
 
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
 
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
 
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রয়েছে। অতিরিক্ত শুকনো খাবারের চাহিদাও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ঢেউটিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
 
এদিকে উত্তাল সাগরের কারণে টানা ৮ দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার-মহেশখালী এবং পেকুয়া-কুতুবদিয়া নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।