ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া

ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ১০:১৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ১০:১৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮১ বার পঠিত
ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের জব্দ করা অর্থ শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ওই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং ইরানের নিজস্ব সম্পদ। অর্থ ফেরত না দেওয়া হলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ডলারের প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
 
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জি-৭ সম্মেলন শেষে বুধবার ফ্রান্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করে রেখেছে এবং একপর্যায়ে তা ফেরত দিতে হবে।
 
ট্রাম্পের ভাষায়, আমরা তাদের অনেক অর্থ নিয়েছি এবং সেই অর্থ আমাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু এটি আমাদের অর্থ নয়, এটি তাদের অর্থ। একসময় আমরা এটি জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের তা ফেরত দিতেই হবে। কারণ আমরা যদি তা না দিই, তাহলে কেউ আর ডলারে বিনিয়োগ করতে চাইবে না।
 
গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষর হয়। এতে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পথ উন্মুক্ত করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
 
চুক্তির আওতায় আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা রয়েছে। তবে এই অর্থ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র দেবে না বলে স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প।
 
তিনি বলেন, আমরা কোনো অর্থ দিচ্ছি না। তারা সঠিকভাবে আচরণ করলেই কেবল এটি সম্ভব হবে। তারা যদি ঠিকভাবে চলে এবং কেউ বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বিনিয়োগ করতে পারবে। ৩০০ বিলিয়ন ডলারের এই তহবিলও সেই শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। সবকিছু নির্ভর করবে তারা কী করছে তার ওপর।
 
এ সময় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ইরান ইতোমধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তারা সঠিক আচরণ শুরু করলেই কিছু না কিছু ঘটবে।
 
যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গভর্নর বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফাভাবে আরোপিত প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
 
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন বলেও জানানো হয়েছে।
 
বুধবার রাতে (স্থানীয় সময়) ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ভার্সাই প্রাসাদে নৈশভোজের সময় ট্রাম্প এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উভয় পক্ষ জানিয়েছে, সমঝোতাটি ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।