ঢাকা , সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ , ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া দুই ঈদকে সরকারি ছুটির স্বীকৃতি ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগ সৌদি জোটের,হুতিদের অস্বীকার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলে ভরা মৌসুমেও মিলছে না ইলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের ‘হ্যালো ডিসি’ চালুর পরিকল্পনা সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়: 'অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজ' চালুর ঘোষণা মিরপুরের ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনেভা ক্যাম্পের পিচ্চি রাজা: সোর্স থেকে মাদক কারবারের শীর্ষে এআই অসৎ লোকের হাতে পড়লে ১০০ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে: বিল গেটস জানুয়ারির অধিবেশনেই সংবিধান সংশোধন বিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাকৃবির ১০ তলা হলে লিফট নেই, না খেয়েই দিন কাটছে ছাত্রীদের র‌্যাবের পর এসআরবি, বদলেছে নাম ও আইনি কাঠামো তারেক রহমান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে কানাডা সরকার

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২২-০৫-২০২৬ ১১:৪৭:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৫-২০২৬ ১১:৪৭:১৯ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪২ বার পঠিত
নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে কানাডা সরকার ছবি: সংগৃহীত
নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে রয়েছে কানাডা সরকার। এছাড়াও গোপনীয়তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। কানাডার বিতর্কিত “ল’ফুল অ্যাকসেস” বিল নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকায় রক্ষণাত্মক অবস্থানে গেছে দেশটির ফেডারেল সরকার। নতুন এই আইন পাস না হলে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে (সিএসআইএস) কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস। 
 
সিবিসি জানায়, প্রস্তাবিত বিল-২২ অনুযায়ী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্তের সময় প্রযুক্তি ও যোগাযোগ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে দ্রুত তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবে।
 
সিএসআইএসের নীতি ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিভাগের উপপরিচালক নিকোল গিলস বলেন, কানাডা এখন ফাইভ আইস জোটের একমাত্র দেশ, যেখানে কার্যকর ‘ল’ফুল অ্যাকসেস’ ব্যবস্থা নেই। তার মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত পরিবেশে হুমকির “পরিমাণ, গতি ও বৈচিত্র্য” মোকাবিলায় এটি জরুরি।
 
এই ইস্যুতে পাবলিক সেফটি কানাডা এবং রয়েল কেনেডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ- এর কর্মকর্তারাও গণমাধ্যমে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।
 
তবে বিলটির দ্বিতীয় অংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এতে টেলিকম, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে, যাতে আদালতের অনুমতি থাকলে আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সহজে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
 
সমালোচকদের আশঙ্কা, এই ব্যবস্থা কার্যত এনক্রিপশন দুর্বল করে দিতে পারে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা, এ্যপেল এবং মেসেজিং সেবা সিগন্যাল সতর্ক করেছে, এতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, হ্যাকার ও বিদেশি প্রতিপক্ষও নিরাপত্তা দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।
 
মাইকেল জিসট, ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া এর ইন্টারনেট ও ই-কমার্স আইনবিষয়ক গবেষক বলেন, যদি এনক্রিপশন দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে খারাপ পক্ষগুলোর প্রবেশ ঠেকানো কঠিন হয়ে যায়।
 
নাগরিক অধিকার সংগঠন, প্রযুক্তি কোম্পানি ও গোপনীয়তা অধিকারকর্মীদের বিরোধিতার মুখে বিলটি নিয়ে রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।
 
অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।