পরিকল্পিত পরিবার গঠনে গর্ভনিরোধক বড়ির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এড়াতে অনেক নারীই এই পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত মাত্রায় গর্ভনিরোধক বড়ি সেবন করলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।
মানসিক অবসাদ:
দীর্ঘদিন গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়ার ফলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন ঘটে। এর প্রভাবে অনেক সময় মানসিক অবসাদ, উদ্বেগ বা মুড পরিবর্তনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অপ্রত্যাশিত রক্তপাত:
ঋতুস্রাবের বাইরে অল্প রক্তপাত হওয়াকে স্পটিং বলা হয়। গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়ার ফলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা বেশ অস্বস্তিকর এবং দৈনন্দিন জীবনে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
ওজন বেড়ে যাওয়া:
নিয়মিত গর্ভনিরোধক বড়ি সেবনের ফলে কিছু নারীর ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের ওজন আগে থেকেই বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি হতে পারে।
চোখের সমস্যা:
হরমোনের পরিবর্তনের কারণে চোখে ঝাপসা দেখা, চোখ থেকে পানি পড়া বা অস্বস্তির মতো সমস্যা হতে পারে। দীর্ঘদিন এই লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি:
যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়ার ফলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
গর্ভনিরোধক বড়ি কার্যকর হলেও এটি দীর্ঘদিন বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে সেবন করা উচিত নয়। নিজের শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে এই ওষুধ গ্রহণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। সচেতনতা ও সঠিক ব্যবহারই পারে ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে।
সূত্র: ইয়র্কটাউন হেলথ ভয়
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার: স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে যা জানা জরুরিভিত্তিতে
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১১:১৬:২৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১১:১৬:২৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর