শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের দিগাবো গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরেন গৃহবধূ মাসুমা আক্তার (৩০)। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা কাজল মিয়ার স্ত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে তাকে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ পাঁচটি সন্তানের জন্ম দেন।
চিকিৎসকরা জানান, একসঙ্গে এতগুলো সন্তানের জন্মের ক্ষেত্রে সাধারণত ঝুঁকি বেশি থাকে এবং নবজাতকদের ওজন কম হয়। তবে এ ক্ষেত্রে পাঁচ শিশুর মোট ওজন প্রায় ৮ কেজি, যা তুলনামূলকভাবে আশাব্যঞ্জক। প্রতিটি শিশুর ওজন গড়ে ১.৪ থেকে ১.৫ কেজির মধ্যে।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। অনেকেই নবজাতকদের একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পরিবার জানিয়েছে, তারা আপাতত গণমাধ্যমের সামনে আসতে চান না এবং নবজাতকদের সুস্থতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।