নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ৩২০ ভারতীয়র সঙ্গে এখনো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
দুর্যোগকবলিত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় সন্ধানে জটিলতা
- আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৬ ০৮:৪৬:২৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৬ ০৮:৪৬:২৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৪৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ৩২০ জন ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেই তাদের নিখোঁজ বা আহত হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
শুক্রবার ২৮ আগস্ট এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ভারতীয়দের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৩২ জন, কেরালার ৩৩ জন, তামিলনাড়ুর দুটি দলের ৮৬ জন তীর্থযাত্রী এবং রিচা ট্যুরসের মাধ্যমে যাওয়া বিভিন্ন রাজ্যের ৬১ জন নাগরিক রয়েছেন।
জয়সওয়াল বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যাচ্ছে না। ফলে তাদের প্রকৃত অবস্থান নিশ্চিত করতে সময় লাগছে।
এদিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া তামিলনাড়ুর ২১ জন ভারতীয় বিশেষ ব্যবস্থায় দিল্লিতে পৌঁছেছেন। নেপালের ত্রিশূলী ১ হাইড্রো পাওয়ার প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্য থেকেও ৬৩ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, তিব্বত বা চীনের অংশে আটকে পড়া প্রায় ৪০০ ভারতীয় নাগরিক নিরাপদে রয়েছেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৬ জন ইতোমধ্যে স্থলপথে নেপাল সীমান্তে পৌঁছেছেন।
এ ছাড়া কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টধারী প্রায় ১০০ ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির সঙ্গেও এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের তালিকা যাচাই করা হচ্ছে। আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার ও অনুসন্ধানে নেপাল ও চীন প্রশাসনের সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসগুলো নিয়মিত সমন্বয় করছে।
প্রসঙ্গত, হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।