যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ‘ডুমসডে প্লেন’ উড্ডয়ন: ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা আরও তীব্র
- আপলোড সময় : ০৭-০৪-২০২৬ ১১:১৬:১৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৭-০৪-২০২৬ ১১:১৬:১৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটির আকাশে বিশেষ ধরনের ‘ডুমসডে প্লেন’ উড্ডয়ন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে এই উড্ডয়নকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক বার্তা বা প্রস্তুতির ইঙ্গিত নিয়ে নানা বিশ্লেষণ সামনে আসছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নেব্রাস্কার অফুট এয়ার ফোর্স বেসের আকাশে বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ বিমানটি চক্কর দিতে দেখা গেছে। এই ঘাঁটিতেই যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের সদর দপ্তর অবস্থিত। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি উড্ডয়নের পর ঘাঁটির আশপাশে একাধিকবার চক্কর দিয়ে পুনরায় অবতরণ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ই-৪বি নাইটওয়াচ বিমানটি মূলত পারমাণবিক যুদ্ধ বা জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়। এটি আকাশে ভাসমান কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে, যেখানে দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অবস্থান নিয়ে জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্র পরিচালনা অব্যাহত রাখতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন চারটি বিমান রয়েছে, যা নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উড্ডয়ন করে থাকে।
পূর্বেও আঞ্চলিক উত্তেজনার সময়ে এ ধরনের বিমানের গতিবিধি নজরে এসেছে। বিশেষ করে ইরান সংশ্লিষ্ট সামরিক পরিস্থিতি তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের উড্ডয়ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি মনোযোগ আকর্ষণ করে।
এদিকে ইরানকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের আলটিমেটামের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াশিংটনের বক্তব্য আরও কঠোর হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সম্ভাব্য গুরুতর পরিণতির ইঙ্গিত দেন, যা পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই উড্ডয়ন সরাসরি কোনো সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও, বিশ্লেষকরা মনে করছেন এটি কৌশলগত বার্তা দেওয়ার অংশ হতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের উত্তেজনা কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।