মিউনিখে সিরিয়া নিয়ে ঐতিহাসিক বৈঠক: ঐক্য ও সংহতির পথে নতুন ধাপ
- আপলোড সময় : ১৪-০২-২০২৬ ১০:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-০২-২০২৬ ১০:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সিরিয়ার দীর্ঘস্থায়ী সংকট সমাধানে এবং দেশটির আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখতে জার্মানির মিউনিখে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফলতার দেখা মিলেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও’র মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সিরিয়ার সরকারি প্রতিনিধিদল এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ-এর শীর্ষ নেতারা প্রথমবারের মতো বড় কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরাসরি আলোচনায় বসেন। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং এসডিএফ বা কুর্দি বাহিনীকে জাতীয় সেনাবাহিনীর মূল কাঠামোতে একীভূত করার আইনি ও কৌশলগত রূপরেখা।
জার্মানিতে অনুষ্ঠিত মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সাইডলাইনে সিরিয়া ইস্যুতে একটি ঐতিহাসিক ও উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মিউনিখে আয়োজিত এই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এবং সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) প্রধান জেনারেল মাজলুম আবদি অংশ নেন। দীর্ঘদিনের সংঘাত কাটিয়ে সিরিয়ার ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কুর্দি বাহিনীকে দেশটির জাতীয় সামরিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতেই এই বিশেষ আলোচনার আয়োজন করা হয়।
বৈঠক শেষে এসডিএফ প্রধান মাজলুম আবদি সাংবাদিকদের কাছে এই আলোচনাকে অত্যন্ত "ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, কুর্দি জনগণের অধিকারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা এবং একটি ঐক্যবদ্ধ সিরিয়া গঠনে উভয় পক্ষই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক এই বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে একে "একটি ঐতিহাসিক ঘটনা" এবং "নতুন এক সূচনা" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা কেবল সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ শান্তি নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং আইসিসের (ISIS) বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।