ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও বিএনপি জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে দশমিনা উপজেলা সদরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফকরুজ্জামান বাদল।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পটুয়াখালী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য হাসান মামুনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা অর্জন, নির্বাচনে কালো টাকা ব্যবহার, নির্বাচনি এলাকায় অস্ত্রের মহড়া এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, নির্বাচনি সমঝোতার পর থেকে নুরুল হক নুর বিএনপির নেতাকর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন এবং অর্থের লোভ দেখিয়ে তার পক্ষে কাজ করাতে চাপ প্রয়োগ করছেন। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, তিনি বিভিন্ন সময় বিদেশি সংস্থা থেকে অবৈধ অর্থ গ্রহণ করেছেন এবং সেই অর্থ নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যয় করছেন।
এছাড়া বিএনপি নেতারা দাবি করেন, গলাচিপা ও দশমিনা এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে, যার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল আলিম তালুকদার, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, সাবেক সহ-সভাপতি মো. মোফাজ্জেল হোসেনসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুল হক নুর বলেন, হাসান মামুন তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী নন এবং আলোচনায় আসতেই এসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, একটি চক্র অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
ডেস্ক রিপোর্ট