ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ , ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া দুই ঈদকে সরকারি ছুটির স্বীকৃতি ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার অভিযোগ সৌদি জোটের,হুতিদের অস্বীকার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলে ভরা মৌসুমেও মিলছে না ইলিশ

শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস: লক্ষণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায়

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০১-২০২৬ ০৩:১৫:২২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০১-২০২৬ ০৩:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৬ বার পঠিত
শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস: লক্ষণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
ব্রংকিওলাইটিস একটি প্রাথমিক শ্বাসনালী সংক্রমণ যা শিশুদের মধ্যে দেখা যেতে পারে। এটি সাধারণত RSV (Respiratory Syncytial Virus) সহ বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে হয়। সংক্রমণের ফলে ছোট শ্বাসনালীর ঝিল্লি প্রদাহিত হয়ে স্ফীত হয়, যার ফলে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নাক দিয়ে অতিরিক্ত শ্লেষ বের হওয়া এবং ঘুমে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। পিতামাতাদের উচিত শিশুর শ্বাসের নিদারুণতা, অনিয়মিত শ্বাস এবং উচ্চ জ্বরের মতো লক্ষণ শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
সাধারণ ক্ষেত্রে এটি নিজে থেকে ১–২ সপ্তাহের মধ্যে সেরে যেতে পারে, তবে শিশুদের বয়স ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রিম্যাচিউর শিশু, হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুসের পূর্ববর্তী সমস্যা থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ তীব্র রূপ নিতে পারে। শ্বাসকষ্ট, বুকে ঢেউয়ের মতো শব্দ, খাবার গ্রহণে অসুবিধা বা অক্সিজেনের অভাব হলে অবিলম্বে হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে শিশুদের হাতে নিয়মিত সাবান এবং পানি দিয়ে ধোয়া, সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে সরাসরি যোগাযোগ এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনমতো ভ্যাকসিন গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা সাধারণত সমর্থনমূলক হয়, যেমন অক্সিজেন সাপোর্ট, পর্যাপ্ত হাইড্রেশন এবং শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা। এছাড়া শিশুর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশে রাখা সংক্রমণ কমাতে সহায়ক। পিতামাতাদের সচেতনতা এবং প্রাথমিক সতর্কতা শিশুদের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।