ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সমীকরণ নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯, নতুন ঝুঁকি নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে বাংলাদেশিদের হতাহতের খবর নেই সরকারি বাড়ি বিক্রির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস ভুটানের রাজাকে ঢাকায় রাষ্ট্রপতির অভ্যর্থনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক লালমনিরহাট সীমান্তে কৃষকদের ধস্তাধস্তির মুখে অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ আশিক চৌধুরীর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা লাভ দীর্ঘ ১৬ বছর পর মিলল পরিচয়, তবে জীবিত নয়—নিথর মরদেহ দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির জেরে রেড অ্যালার্ট জারি, বিপর্যস্ত জনজীবন ট্রান্সজেন্ডারবাদ,হিযবুত তাওহীদ ও কাদিয়ানীদের নিষিদ্ধের দাবি বাবুনগরীর বাণিজ্যিক কোচিংয়ে যুক্ত হতে পারবেন না বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা গণহত্যা স্মরণে উখিয়ায় লাখো রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন দাবিতে সমাবেশ ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা ‘লোকদেখানো’ দাবি মার্কিন সিনেটরের রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ক্যামেরার সুফল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্কুলের নির্ধারিত ইউনিফর্মের সঙ্গে হিজাব পরার আবেদন খারিজ করল এলাহাবাদ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস কমিয়ে শিল্পে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস: লক্ষণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায়

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০১-২০২৬ ০৩:১৫:২২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০১-২০২৬ ০৩:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৭ বার পঠিত
শিশুদের ব্রংকিওলাইটিস: লক্ষণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
ব্রংকিওলাইটিস একটি প্রাথমিক শ্বাসনালী সংক্রমণ যা শিশুদের মধ্যে দেখা যেতে পারে। এটি সাধারণত RSV (Respiratory Syncytial Virus) সহ বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে হয়। সংক্রমণের ফলে ছোট শ্বাসনালীর ঝিল্লি প্রদাহিত হয়ে স্ফীত হয়, যার ফলে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নাক দিয়ে অতিরিক্ত শ্লেষ বের হওয়া এবং ঘুমে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। পিতামাতাদের উচিত শিশুর শ্বাসের নিদারুণতা, অনিয়মিত শ্বাস এবং উচ্চ জ্বরের মতো লক্ষণ শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
সাধারণ ক্ষেত্রে এটি নিজে থেকে ১–২ সপ্তাহের মধ্যে সেরে যেতে পারে, তবে শিশুদের বয়স ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রিম্যাচিউর শিশু, হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুসের পূর্ববর্তী সমস্যা থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ তীব্র রূপ নিতে পারে। শ্বাসকষ্ট, বুকে ঢেউয়ের মতো শব্দ, খাবার গ্রহণে অসুবিধা বা অক্সিজেনের অভাব হলে অবিলম্বে হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে শিশুদের হাতে নিয়মিত সাবান এবং পানি দিয়ে ধোয়া, সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে সরাসরি যোগাযোগ এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনমতো ভ্যাকসিন গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা সাধারণত সমর্থনমূলক হয়, যেমন অক্সিজেন সাপোর্ট, পর্যাপ্ত হাইড্রেশন এবং শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা। এছাড়া শিশুর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশে রাখা সংক্রমণ কমাতে সহায়ক। পিতামাতাদের সচেতনতা এবং প্রাথমিক সতর্কতা শিশুদের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।