প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই চুক্তির আওতায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের গাজা উপত্যকা থেকে নিরাপদে অন্য দেশে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। মূলত যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতেই যুক্তরাষ্ট্র এই মধ্যস্থতা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ায় কঠোর আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তেল আবিব বিশেষ করে হামাসকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সুড়ঙ্গের মানচিত্র হস্তান্তরের বিনিময়ে তাদের নেতাদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে।
যদিও আলোচনা বেশ অগ্রসর হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তবে চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হামাসের মতো একটি সংগঠনকে রাজনৈতিক স্বীকৃতি দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন হবে। অন্যদিকে, সুড়ঙ্গ ও অস্ত্রের তথ্য পাওয়ার মাধ্যমে গাজা উপত্যকায় ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও এই ত্রিপক্ষীয় জটিল সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
(সূত্র: স্কাই নিউজ অ্যারাবিয়া)।
(সূত্র: স্কাই নিউজ অ্যারাবিয়া)।
ডেস্ক রিপোর্ট