২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য
ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৪ হাজার মেগাওয়াট সরবরাহের পরিকল্পনা, লোডশেডিং বন্ধের আশা সরকারের
- আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৮:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৮:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমবায় ভবনে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে জাতীয় গ্রিডে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সরকার এই বিদ্যুৎ কিনতে পারলে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যে ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণ করা সম্ভব হবে। দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির পর সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের পরিকল্পনা সফল হলে দেশে লোডশেডিং থাকবে না বলে আশা করছে সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এ সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কমে ৬ থেকে ৭ টাকায় নেমে আসতে পারে।
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছাদ ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বড় ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সরকারের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি কমানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদ কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।