তবে জরিপগুলোর ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করা বা নির্বাচনে জয় পাওয়া অনেকটাই নির্ভর করবে ছোট দলগুলোর অবস্থান এবং নির্বাচনের পরের জোট গঠনের সমীকরণের ওপর।
বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, ১২০ সদস্যের নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) গ্যাডি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন ‘ইয়াশার’ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের দৌড়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত জরিপগুলোতে যেখানে ইয়াশার পার্টি ২২ থেকে ২৫টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেতে পারে ২০ থেকে ২১টি আসন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কে বেশি উপযুক্ত—এমন প্রশ্নের জবাবেও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চেয়ে গ্যাডি আইজেনকট বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছেন।
সংখ্যাগরিষ্ঠতার হিসাব ও জোটের মারপ্যাচ:
ইসরাইলের সংসদীয় ব্যবস্থায় কেবল বেশি আসন পাওয়া মানেই সরকার গঠন নিশ্চিত নয়। সরকার গঠন করতে হলে অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন প্রয়োজন হয়।
সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে বিরোধী দলগুলো ভালো অবস্থানে থাকলেও এককভাবে বা জোট গড়ার সমীকরণে ৬১ আসনের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে ছোট দলগুলোর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ইয়োয়াজ হেন্দেল এবং ইয়ারোন জেলেখার নতুন জোট যদি শেষ পর্যন্ত বিরোধীদের সঙ্গে যুক্ত হয়, তবেই বিরোধী শিবিরের পক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা সম্ভব হতে পারে।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটও প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা অর্জনের লড়াইয়ে রয়েছে। তবে ডানপন্থী ছোট দলগুলো নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে না পারলে নেতানিয়াহুর জোটের আসন সংখ্যা আরও কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, আসন্ন নির্বাচনে কোন পক্ষ শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা দখল করবে, তা নির্ধারণ করবে ছোট দলগুলোর নির্বাচনী সাফল্য এবং ভোটপরবর্তী রাজনৈতিক দরকষাকষি।