মহানবীর আদর্শ অনুসরণেই হিংসা ও বৈষম্য থেকে মুক্তি: রাষ্ট্রপতি
ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে সমাজ গঠনের আহ্বান
- আপলোড সময় : ২৫-০৮-২০২৬ ১০:১৪:১২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-০৮-২০২৬ ১০:১৪:১২ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মর্যাদা রক্ষা মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অন্যতম প্রধান শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা. উপলক্ষে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী সা. অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন ছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অন্যতম শিক্ষা। বর্তমান বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, উগ্রতা, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয়ের বিস্তার ঘটছে। এসব সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন। একই সঙ্গে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন। ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যকে রাষ্ট্র ও সমাজের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩০ সালের আগে দেশের সব মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করতে পারে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সে জন্য গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।