পর্তুগালে নাগরিকত্ব পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশ লাখো অভিবাসী
নাগরিকত্ব ও রেসিডেন্স পারমিট পেতে দীর্ঘসূত্রিতায় বাড়ছে অভিবাসীদের ভোগান্তি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০৮:০১:৫৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০৮:০১:৫৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
পর্তুগালে নাগরিকত্বের আবেদন করে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে লাখো অভিবাসীকে। একই সঙ্গে রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু ও নবায়নেও দীর্ঘসূত্রিতা থাকায় বৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা ও ভোগান্তি।
পর্তুগালের জাতীয় পরিচয়পত্র, সিটিজেন কার্ড ও পাসপোর্ট ইস্যু এবং নবায়নসহ বিভিন্ন সিভিল রেজিস্ট্রির দায়িত্বে রয়েছে ইনস্টিটিউট অব রেজিস্ট্রিস অ্যান্ড নোটারি বা আইআরএন। অভিবাসীদের নাগরিকত্বের আবেদন যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়ার কাজও করে সংস্থাটি। তবে বিপুলসংখ্যক আবেদনের তুলনায় জনবল কম থাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে।
কয়েক বছর আগেও নাগরিকত্বের আবেদন করার পর ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে অনেকেই নাগরিকত্ব পেতেন। বর্তমানে সেই অপেক্ষার সময় কয়েক গুণ বেড়েছে। অফিসভেদে আবেদনকারীদের আড়াই বছর থেকে চার বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে অভিবাসীদের রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু ও নবায়নের দায়িত্বে থাকা এজেন্সি ফর ইন্টিগ্রেশন, মাইগ্রেশন অ্যান্ড এসাইলাম বা এআইএমএতেও আবেদনের জট পুরোপুরি কাটেনি। নাম ও কাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও রেসিডেন্স পারমিটের সেবা পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে।
আইন মেনে পর্তুগালে বসবাস এবং দেশটির অর্থনীতিতে অবদান রাখার পরও নাগরিকত্ব ও বৈধ কাগজপত্রের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে অভিবাসীদের মধ্যে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির ৪২৮টি আইআরএন কার্যালয়ে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা নাগরিকত্ব আবেদনের সংখ্যা প্রায় ৫ থেকে ৭ লাখ। সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতার তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি। একই সময়ে এআইএমএর কাছেও বিপুলসংখ্যক রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন ঝুলে রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর
ডেস্ক রিপোর্ট