আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেপ্তার হতে পারেন শেখ হাসিনা, জানালেন আইনমন্ত্রী
দেশে ফিরলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাল সরকার
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১২:৪৩:২৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১২:৪৩:২৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৫৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশে ফিরতে চাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজন মনে করলে আত্মসমর্পণের আগেই তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দণ্ডপ্রাপ্ত বা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে দেশে ফিরে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আত্মসমর্পণের অধিকার রাখেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি (সেলপ) ব্র্যাকের পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে শুক্রবার দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাংবাদিকরা দেশে ফিরলে তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে কেউ কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিষয়। তিনি বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারে প্রবেশ করার পর প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশে প্রবেশের পর আইন তাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে এখনো সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই সংসদের পরবর্তী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকার সুযোগ রয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।