গ্যাস সংকট নিরসনে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দিল মালয়েশিয়া
তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিমের ফোনালাপের পর দ্রুত উদ্যোগের প্রতিশ্রুতি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ০৯:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ০৯:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুরোধের পর তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে সম্ভাব্য সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সরকার আশা করছে, ত্রুটিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি সচল হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গ্যাস সংকটের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২৭ জুলাই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিটি মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। একই দিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়। ওই আলোচনায় বাংলাদেশে চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন তারেক রহমান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আনোয়ার ইব্রাহিম আশ্বস্ত করেছেন যে, সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার পক্ষে যা যা করা সম্ভব, সে বিষয়ে তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দলের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশকে জানাবেন।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির আঞ্চলিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আজিজ কাশিমের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তারা ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত সমস্যার সমাধানে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন, যা সরকারকে কিছুটা আশাবাদী করেছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হয় দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উত্তোলিত গ্যাস এবং আমদানিকৃত এলএনজি পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের মাধ্যমে। তবে গত সপ্তাহে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণে এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ফলে গ্যাস সরবরাহে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে এবং এর প্রভাব আবাসিক, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যানবাহন খাতে পড়েছে।
তিনি জানান, জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সার্বক্ষণিকভাবে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করছেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।