শনিবার প্রকাশিত এই তথ্যের মাধ্যমে কঙ্গোর চলমান স্বাস্থ্য সংকটের ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই প্রাদুর্ভাব মহাদেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা সংক্রমণগুলোর একটি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নজরদারির বাইরে নীরবে ছড়িয়ে পড়ছিল রোগটি। পরিস্থিতির অবনতি হলে গত ১৫ মে নতুন করে প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেয় কঙ্গো সরকার।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) জানিয়েছে, এবার সংক্রমণের জন্য দায়ী বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ধরনের ভাইরাস। উদ্বেগের বিষয় হলো, এ ধরনের ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। ফলে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এরই মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ও কার্যকর চিকিৎসা উদ্ভাবনের লক্ষ্যে পরীক্ষামূলক চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গবেষকরা আশা করছেন, মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে, যা ভবিষ্যতে ইবোলা মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে।
তবে কঙ্গোর বাস্তবতা স্বাস্থ্যসেবার এই প্রচেষ্টাকে কঠিন করে তুলেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাত, সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত কাজ করতে পারছেন না। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা ও অর্থের সংকটও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ডেস্ক রিপোর্ট