তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ আগামী বছরগুলোতে হস্তান্তরিত হবে উল্লেখ করে তিনি সাময়িক এই ঘাটতি পূরণে অবিলম্বে জরুরি সামরিক সহায়তার তাগিদ দিয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খমারা পশ্চিমাদের চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে নিজেদের মজুত থেকে দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুরোধ করেছেন, যার বিনিময়ে ইউক্রেন পরবর্তীতে আরও উন্নত কর্মক্ষমতার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে।
বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খমারা জানান, ড্রোন সরবরাহের ক্ষেত্রে অর্থায়নে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ইউক্রেনের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বৈঠকে ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিচালনার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়, যা ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। একই সঙ্গে কিয়েভের দৃষ্টিতে মস্কো থেকে আসা সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়। খমারা স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার বাহিনী ১,২০০ কিলোমিটার বা ৭৫০ মাইল দীর্ঘ যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো কৌশলগত অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না, ফলে তারা রণক্ষেত্রের ব্যর্থতা ঢাকতে সাধারণ ইউক্রেনীয়দের ওপর বিমান হামলা চালিয় ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ চালাচ্ছে।
মার্কিন শান্তি মধ্যস্থতাকারীদের সফর ঘিরে সাময়িক বিরতির পর মঙ্গলবার থেকে আবারও কিয়েভে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। রাজধানী কিয়েভে এই হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন এবং অন্যান্য অঞ্চলেও ব্যাপক প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।
এই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সামরিক সহায়তা আরও বৃদ্ধি করা ছাড়া ইউক্রেনের মিত্রদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে। বৈঠকালীন বক্তব্যে তিনি মিত্রদের আহ্বান জানান, যেন ইউক্রেন সব রণক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে পারে এবং নিজেদের আকাশসীমা সফলভাবে রক্ষা করতে সমর্থ হয়।