ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে পাওনিয়ার বেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধি ও পিটিশন কমিটির সভাপতি হলেন স্পিকার আরব আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে জাতিসংঘে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ভারতের তিন আন্তঃদেশীয় ট্রেন ফের চালুর আলোচনা সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, জানাল হুতি গণমাধ্যম মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা এআইয়ের ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাড়ছে অনলাইন প্রতারণা বিদ্যুৎ নিয়ে কটূক্তিতে গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর এক ঠিকানায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য নিয়ে এলো ‘অ্যাডমিশন হাব’ নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের এমডি কারাগারে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর জবার দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের স্পিকারের গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা সংকট এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সারাওয়াকে বিপজ্জনক ধোঁয়াশায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মন্ত্রী আইসিইউতে : আসিফ মাহমুদ

শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

বই পড়ে শোনানো : শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯৪ বার পঠিত
শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

শিশুদের নিয়মিত বই পড়ে শোনানোর অভ্যাস তাদের ভাষাগত, মানসিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সঙ্গে পরিচয় ঘটলে শিশু নতুন শব্দ শেখার পাশাপাশি চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি এবং শেখার আগ্রহও বৃদ্ধি করতে পারে।

গল্প, ছড়া এবং শিক্ষামূলক বই পড়ে শোনানোর মাধ্যমে শিশুর শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হতে পারে। নতুন শব্দ ও বাক্য শুনতে শুনতে তারা ভাষা বোঝার এবং নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা অর্জন করে। এটি ভবিষ্যতে পড়াশোনা ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

বইয়ের বিভিন্ন চরিত্র, ঘটনা এবং কাহিনি শিশুদের কল্পনাশক্তিকে উদ্দীপ্ত করে। তারা গল্পের জগৎ কল্পনা করতে শেখে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ পায়। এর ফলে সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রও তৈরি হয়।

অভিভাবক যখন শিশুকে বই পড়ে শোনান, তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। একসঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে শিশুর মধ্যে নিরাপত্তাবোধ এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়, যা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বইয়ের গল্প শিশুদের বিভিন্ন সামাজিক মূল্যবোধ, সহানুভূতি এবং মানবিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। গল্পের চরিত্রগুলোর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা অন্যের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন করে।

শৈশব থেকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেক শিশুর মধ্যে বইয়ের মাধ্যমে নতুন বিষয় জানার আগ্রহ তৈরি হয়।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়লেও বইয়ের গুরুত্ব কমে যায়নি। বরং বই শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখতে, ধৈর্য বাড়াতে এবং গভীরভাবে চিন্তা করতে সহায়তা করতে পারে।

শিশুর বয়স ও আগ্রহ অনুযায়ী বই নির্বাচন করে নিয়মিত পড়ে শোনানোর অভ্যাস গড়ে তোলা হলে তাদের সামগ্রিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই পরিবারে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করা শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।