ঢাকা , শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬ , ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ২৫ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে দম্পতি র‌্যাব নাম পরিবর্তন হয়ে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত বগুড়ায় বাসচাপায় ৬ শ্রমিক নিহত, আহত ১৫ পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেড় হাজার মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ থাইল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে শিক্ষক নিহত, হামলাকারীর আত্মহত্যা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে ব্ল্যাকআউটের কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভিআইপিদেরও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে ছাড় দেওয়া হবে না: মন্ত্রী বিদেশের কারাগারে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দি ২৫ শতাংশ বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকুক বা না থাকুক, ইরানে একক সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত বায়তুল মোকাররমে জুমার বয়ান ও নামাজ পড়াবেন দেওবন্দের মুহতামিম রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন জনপ্রিয় ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভুল তথ্যে শোন অ্যারেস্ট আবেদন, বরগুনার এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নতুন বাংলাদেশের পথচলার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সৌদির বিনিয়োগের আহবান প্রধানমন্ত্রীর হাসপাতালে হামলায় ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের আচরণ ইসরায়েলের মতো: সাদিক আল-আকসা দখলের পথে ইসরায়েলীরা,হাতছাড়ার ঝুঁকিতে জরুরি বৈঠক জর্ডানের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানজুড়ে পিটিআইয়ের আজ বিক্ষোভ রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে: কিয়েভ

শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

বই পড়ে শোনানো : শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৬৭ বার পঠিত
শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

শিশুদের নিয়মিত বই পড়ে শোনানোর অভ্যাস তাদের ভাষাগত, মানসিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সঙ্গে পরিচয় ঘটলে শিশু নতুন শব্দ শেখার পাশাপাশি চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি এবং শেখার আগ্রহও বৃদ্ধি করতে পারে।

গল্প, ছড়া এবং শিক্ষামূলক বই পড়ে শোনানোর মাধ্যমে শিশুর শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হতে পারে। নতুন শব্দ ও বাক্য শুনতে শুনতে তারা ভাষা বোঝার এবং নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা অর্জন করে। এটি ভবিষ্যতে পড়াশোনা ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

বইয়ের বিভিন্ন চরিত্র, ঘটনা এবং কাহিনি শিশুদের কল্পনাশক্তিকে উদ্দীপ্ত করে। তারা গল্পের জগৎ কল্পনা করতে শেখে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ পায়। এর ফলে সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রও তৈরি হয়।

অভিভাবক যখন শিশুকে বই পড়ে শোনান, তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। একসঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে শিশুর মধ্যে নিরাপত্তাবোধ এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়, যা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বইয়ের গল্প শিশুদের বিভিন্ন সামাজিক মূল্যবোধ, সহানুভূতি এবং মানবিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। গল্পের চরিত্রগুলোর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা অন্যের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন করে।

শৈশব থেকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেক শিশুর মধ্যে বইয়ের মাধ্যমে নতুন বিষয় জানার আগ্রহ তৈরি হয়।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়লেও বইয়ের গুরুত্ব কমে যায়নি। বরং বই শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখতে, ধৈর্য বাড়াতে এবং গভীরভাবে চিন্তা করতে সহায়তা করতে পারে।

শিশুর বয়স ও আগ্রহ অনুযায়ী বই নির্বাচন করে নিয়মিত পড়ে শোনানোর অভ্যাস গড়ে তোলা হলে তাদের সামগ্রিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই পরিবারে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করা শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।