ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ , ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১২ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
এবার হোদেইদায় হামলা সৌদির, পাল্টা হুমকি হুথিদের নভোথিয়েটারে সামিটে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ভারতীয় নাগরিক নিহত পদত্যাগের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যেসব সুবিধা পাবেন ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল দ্রুত ঘোষণা করবে : মাছউদ রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে আসছেন স্পিকার ইরান থেকে সব দূতাবাসকর্মী প্রত্যাহার করে নিলো যুক্তরাজ্য দীর্ঘ ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দিল্লি থেকে শহরের পর শহরে ,রাজপথে নামছে জনতাও প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি নিশ্চিতে দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার ঘোষণা ম আমূল পরিবর্তন আসছে বাংলাদেশি পাসপোর্টে দিল্লির সীমানা ছাড়িয়ে দেশজুড়ে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ছাত্র আন্দোলন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সরকারের পদত্যাগ ও ক্ষমা দাবি রাহুল গান্ধীর যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র হামলা সত্ত্বেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন চলমান জামালপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত, আহত একজন গাজায় সহায়তা তহবিলকে স্বাগত জানাল অস্ট্রেলীয় ত্রাণ সংস্থা পাল্টাপাল্টি হামলায় হরমুজ প্রণালিতে আরও কমেছে জাহাজ চলাচল মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভকালে রাহুল গান্ধীসহ শীর্ষ বিরোধী নেতা আটক ২০২৭ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আসবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

বই পড়ে শোনানো : শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৩:০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২২ বার পঠিত
শিশুদের বই পড়ে শোনানো তাদের বিকাশে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

শিশুদের নিয়মিত বই পড়ে শোনানোর অভ্যাস তাদের ভাষাগত, মানসিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সঙ্গে পরিচয় ঘটলে শিশু নতুন শব্দ শেখার পাশাপাশি চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি এবং শেখার আগ্রহও বৃদ্ধি করতে পারে।

গল্প, ছড়া এবং শিক্ষামূলক বই পড়ে শোনানোর মাধ্যমে শিশুর শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হতে পারে। নতুন শব্দ ও বাক্য শুনতে শুনতে তারা ভাষা বোঝার এবং নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা অর্জন করে। এটি ভবিষ্যতে পড়াশোনা ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

বইয়ের বিভিন্ন চরিত্র, ঘটনা এবং কাহিনি শিশুদের কল্পনাশক্তিকে উদ্দীপ্ত করে। তারা গল্পের জগৎ কল্পনা করতে শেখে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ পায়। এর ফলে সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রও তৈরি হয়।

অভিভাবক যখন শিশুকে বই পড়ে শোনান, তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। একসঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে শিশুর মধ্যে নিরাপত্তাবোধ এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়, যা মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বইয়ের গল্প শিশুদের বিভিন্ন সামাজিক মূল্যবোধ, সহানুভূতি এবং মানবিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। গল্পের চরিত্রগুলোর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা অন্যের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন করে।

শৈশব থেকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেক শিশুর মধ্যে বইয়ের মাধ্যমে নতুন বিষয় জানার আগ্রহ তৈরি হয়।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়লেও বইয়ের গুরুত্ব কমে যায়নি। বরং বই শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখতে, ধৈর্য বাড়াতে এবং গভীরভাবে চিন্তা করতে সহায়তা করতে পারে।

শিশুর বয়স ও আগ্রহ অনুযায়ী বই নির্বাচন করে নিয়মিত পড়ে শোনানোর অভ্যাস গড়ে তোলা হলে তাদের সামগ্রিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই পরিবারে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করা শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।