শুক্রবার রাতে উপজেলার তুলাতুলি মোড় এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ২৪ জুলাই রাতে পরিচালিত অভিযানে ডা. ইসমাঈল আল রাজিবকে আটক করার পর তার শরীর তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং এ ঘটনায় আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে তিনি রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। প্রায় নয় মাস আগে তাকে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জান্নাতুল নাঈম বলেন, হাসপাতালের আরএমও ইয়াবাসহ আটক হওয়ার বিষয়টি তারা জেনেছেন। পুলিশের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো চিকিৎসক যদি মাদক সেবন বা সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, তবে তা রোগীদের সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে এটি আইনের পাশাপাশি চিকিৎসা পেশার নৈতিকতা ও শৃঙ্খলারও পরিপন্থী।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ডা. ইসমাঈল আল রাজিবকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট