ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ , ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ

৬ মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হতে পারে খিচুড়ি

পরিপূরক খাদ্য হিসেবে খিচুড়ি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৬:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৬:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৪৭ বার পঠিত
৬ মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হতে পারে খিচুড়ি প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত

শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর শুধুমাত্র মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দেওয়া প্রয়োজন হয়। এ সময় খিচুড়ি শিশুদের জন্য একটি পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়। চাল, ডাল এবং বিভিন্ন সবজি দিয়ে প্রস্তুত খিচুড়ি শিশুর শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহে সহায়তা করতে পারে।

জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুর প্রধান খাদ্য মায়ের দুধ। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর শরীরের পুষ্টি চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। এ কারণে ছয় মাসের পর ধীরে ধীরে পরিপূরক খাবার শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়। খিচুড়ি এই পর্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার।

খিচুড়িতে থাকা চাল শিশুকে শক্তি জোগায়, আর ডাল থেকে পাওয়া যায় প্রোটিন। এছাড়া গাজর, কুমড়া, আলু বা অন্যান্য সবজি যোগ করলে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়, যা শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে।

শিশুর জন্য খিচুড়ি রান্নার সময় খাবার নরম ও সহজে গিলে খাওয়ার উপযোগী করে প্রস্তুত করা গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে পাতলা এবং মসৃণভাবে রান্না করা খিচুড়ি দেওয়া যেতে পারে। বয়স ও চাহিদা অনুযায়ী পরে ধীরে ধীরে এর ঘনত্ব বাড়ানো যেতে পারে।

খিচুড়িতে বিভিন্ন উপাদান একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ায় এটি একটি সুষম খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এর মাধ্যমে শিশুকে একাধিক ধরনের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা যায়, যা দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে নতুন কোনো খাবার শুরু করার সময় শিশুর শারীরিক প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো খাবারে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শিশুর বয়স ৬ মাস হওয়ার পর সঠিকভাবে প্রস্তুত করা খিচুড়ি খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, বিকাশ এবং পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।