ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ভারতের তিন আন্তঃদেশীয় ট্রেন ফের চালুর আলোচনা সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল সরকার সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, জানাল হুতি গণমাধ্যম মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আইআরজিসির দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা এআইয়ের ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাড়ছে অনলাইন প্রতারণা বিদ্যুৎ নিয়ে কটূক্তিতে গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর এক ঠিকানায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য নিয়ে এলো ‘অ্যাডমিশন হাব’ নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের এমডি কারাগারে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর জবার দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের স্পিকারের গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা সংকট এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সারাওয়াকে বিপজ্জনক ধোঁয়াশায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মন্ত্রী আইসিইউতে : আসিফ মাহমুদ আফগানিস্তানে এতিম, বিধবার মাঝে সাড়ে ১২ বিলিয়ন আফগানি বিতরণ কারাগারে বন্দিদের জন্য আসছে ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ফোরামে চীনের কূটনীতির নিন্দা তাইওয়ানের শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

৬ মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হতে পারে খিচুড়ি

পরিপূরক খাদ্য হিসেবে খিচুড়ি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৬:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৬:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১২৮ বার পঠিত
৬ মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হতে পারে খিচুড়ি প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত

শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর শুধুমাত্র মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দেওয়া প্রয়োজন হয়। এ সময় খিচুড়ি শিশুদের জন্য একটি পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়। চাল, ডাল এবং বিভিন্ন সবজি দিয়ে প্রস্তুত খিচুড়ি শিশুর শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহে সহায়তা করতে পারে।

জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুর প্রধান খাদ্য মায়ের দুধ। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর শরীরের পুষ্টি চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। এ কারণে ছয় মাসের পর ধীরে ধীরে পরিপূরক খাবার শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়। খিচুড়ি এই পর্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার।

খিচুড়িতে থাকা চাল শিশুকে শক্তি জোগায়, আর ডাল থেকে পাওয়া যায় প্রোটিন। এছাড়া গাজর, কুমড়া, আলু বা অন্যান্য সবজি যোগ করলে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়, যা শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে।

শিশুর জন্য খিচুড়ি রান্নার সময় খাবার নরম ও সহজে গিলে খাওয়ার উপযোগী করে প্রস্তুত করা গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে পাতলা এবং মসৃণভাবে রান্না করা খিচুড়ি দেওয়া যেতে পারে। বয়স ও চাহিদা অনুযায়ী পরে ধীরে ধীরে এর ঘনত্ব বাড়ানো যেতে পারে।

খিচুড়িতে বিভিন্ন উপাদান একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ায় এটি একটি সুষম খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এর মাধ্যমে শিশুকে একাধিক ধরনের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা যায়, যা দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে নতুন কোনো খাবার শুরু করার সময় শিশুর শারীরিক প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো খাবারে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শিশুর বয়স ৬ মাস হওয়ার পর সঠিকভাবে প্রস্তুত করা খিচুড়ি খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, বিকাশ এবং পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।