ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ , ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১১ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
এবার হোদেইদায় হামলা সৌদির, পাল্টা হুমকি হুথিদের নভোথিয়েটারে সামিটে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ভারতীয় নাগরিক নিহত পদত্যাগের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যেসব সুবিধা পাবেন ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল দ্রুত ঘোষণা করবে : মাছউদ রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে আসছেন স্পিকার ইরান থেকে সব দূতাবাসকর্মী প্রত্যাহার করে নিলো যুক্তরাজ্য দীর্ঘ ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দিল্লি থেকে শহরের পর শহরে ,রাজপথে নামছে জনতাও প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি নিশ্চিতে দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার ঘোষণা ম আমূল পরিবর্তন আসছে বাংলাদেশি পাসপোর্টে দিল্লির সীমানা ছাড়িয়ে দেশজুড়ে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ছাত্র আন্দোলন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সরকারের পদত্যাগ ও ক্ষমা দাবি রাহুল গান্ধীর যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র হামলা সত্ত্বেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন চলমান জামালপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত, আহত একজন গাজায় সহায়তা তহবিলকে স্বাগত জানাল অস্ট্রেলীয় ত্রাণ সংস্থা পাল্টাপাল্টি হামলায় হরমুজ প্রণালিতে আরও কমেছে জাহাজ চলাচল মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভকালে রাহুল গান্ধীসহ শীর্ষ বিরোধী নেতা আটক ২০২৭ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আসবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

৬ মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হতে পারে খিচুড়ি

পরিপূরক খাদ্য হিসেবে খিচুড়ি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৬:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৬:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৫ বার পঠিত
৬ মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার হতে পারে খিচুড়ি প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত

শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর শুধুমাত্র মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দেওয়া প্রয়োজন হয়। এ সময় খিচুড়ি শিশুদের জন্য একটি পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়। চাল, ডাল এবং বিভিন্ন সবজি দিয়ে প্রস্তুত খিচুড়ি শিশুর শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহে সহায়তা করতে পারে।

জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুর প্রধান খাদ্য মায়ের দুধ। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর শরীরের পুষ্টি চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। এ কারণে ছয় মাসের পর ধীরে ধীরে পরিপূরক খাবার শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়। খিচুড়ি এই পর্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার।

খিচুড়িতে থাকা চাল শিশুকে শক্তি জোগায়, আর ডাল থেকে পাওয়া যায় প্রোটিন। এছাড়া গাজর, কুমড়া, আলু বা অন্যান্য সবজি যোগ করলে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও পাওয়া যায়, যা শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে।

শিশুর জন্য খিচুড়ি রান্নার সময় খাবার নরম ও সহজে গিলে খাওয়ার উপযোগী করে প্রস্তুত করা গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে পাতলা এবং মসৃণভাবে রান্না করা খিচুড়ি দেওয়া যেতে পারে। বয়স ও চাহিদা অনুযায়ী পরে ধীরে ধীরে এর ঘনত্ব বাড়ানো যেতে পারে।

খিচুড়িতে বিভিন্ন উপাদান একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ায় এটি একটি সুষম খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এর মাধ্যমে শিশুকে একাধিক ধরনের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা যায়, যা দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে নতুন কোনো খাবার শুরু করার সময় শিশুর শারীরিক প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো খাবারে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শিশুর বয়স ৬ মাস হওয়ার পর সঠিকভাবে প্রস্তুত করা খিচুড়ি খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, বিকাশ এবং পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।