প্যারিসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসেন ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের নেতারা।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো পুরো ইউরোপের জন্য একটি যৌথ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা।’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের চেয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো বেশি কঠিন। এই ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলা করতেই এই জোট গঠন করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ এই ব্যবস্থা চালু হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। অন্যান্য দেশও চাইলে এই জোটে যোগ দিতে পারবে।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন রাশিয়ার যেখানেই হামলা চালাবে, তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পাল্টা হামলা হবে বহুগুণ বেশি শক্তিশালী।’
সামনে শীতকাল আসছে। এই সময়ে রাশিয়া সাধারণত ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ করতে হামলা বাড়িয়ে দেয়। তাই শীতের আগেই নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চাইছে ইউক্রেন।
সম্প্রতি ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এটি তৈরি করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই নতুন জোটকে ‘যুদ্ধবাজদের জোট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তারা রাশিয়াকে হারানোর মিথ্যা স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে।
ডেস্ক রিপোর্ট