তারুণ্যের শক্তিই জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তি: বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ বাণী
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১১-০৭-২০২৬ ০৫:১২:২০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-০৭-২০২৬ ০৬:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশের তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করাই বর্তমান সরকারের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
আজ শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য–‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী। তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে। আজকের তরুণরাই তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি।
জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে জানিয়ে তারেক রহমান দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।
উন্নত জাতি গঠনে সুস্থ জনগোষ্ঠীর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। তবে বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জগুলো এখনও আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা। এসব সমস্যা শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়ন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং কিশোর-কিশোরীদের মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রতিটি তরুণ-তরুণী যদি সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, তবে তারাই আগামী দিনের সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। তিনি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।