শরীর ক্লান্ত লাগলে আমরা সাধারণত চা বা কফির দিকে ঝুঁকি। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, এই অভ্যাস সাময়িক চাঙাভাব দিলেও দীর্ঘমেয়াদে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। বরং ডাবের পানি, লেবু-মধুর পানি, ডালিমের জুস, হারবাল চা ও কলা-দুধের স্মুদি শরীরকে দ্রুত ও স্থায়িভাবে সতেজ করতে সবচেয়ে কার্যকর। পানিশূন্যতা ও পুষ্টির ঘাটতিই সাধারণত ক্লান্তির মূল কারণ, আর এই পানীয়গুলো সেই ঘাটতি পূরণ করে।
কলার স্মুদি পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও উচ্চমাত্রার ফাইবারে সমৃদ্ধ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ও সকালে কার্ব এবং পুষ্টির জোগান দেয়। সঙ্গে টকদই, দুধ বা বাদাম মিশিয়ে নিলে হজমেও উপকার মেলে। হারবাল চায়ের ক্ষেত্রে গ্রিন টির সঙ্গে এলাচ, আদা ও হলুদ মেশালে তা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর হয় এবং বিপাক, রক্তসঞ্চালন ও ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর — তবে সকালে বা রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়াই ভালো।
ডাবের পানি গ্রীষ্মের তাপে শরীর সতেজ রাখার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে ও রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। চিয়া বীজ মিশিয়ে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও কাজ দেয়। ডালিমের জুসে রয়েছে ভিটামিন সি, কে ও ই এবং আয়রন, পটাশিয়াম, জিঙ্কসহ একাধিক খনিজ উপাদান, যা ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে রাখে। সঙ্গে লেবুর রস মেশালে আয়রন শোষণ আরও ভালো হয়। আর তরমুজের জুসে চিয়া বীজ মিশিয়ে খেলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও খনিজ উপাদান একসঙ্গে পাওয়া যায়, যা ক্লান্তি কাটাতে দ্রুত কাজ করে।
ডেস্ক রিপোর্ট