ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে

ইসলামে শিশুশ্রমের বিধান কী? যেসব শর্তে শিশুদের কাজ শেখানোর অনুমতি রয়েছে

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১১:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১১:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৫৮ বার পঠিত
ইসলামে শিশুশ্রমের বিধান কী? যেসব শর্তে শিশুদের কাজ শেখানোর অনুমতি রয়েছে ছবি সংগৃহীত

ইসলামে জীবিকা অর্জনকে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হলেও শিশুদের শ্রমে নিয়োজিত করার ক্ষেত্রে রয়েছে সুস্পষ্ট কিছু নীতিমালা ও শর্ত। ইসলামী আইন অনুযায়ী, কোনো শিশুকে কাজে যুক্ত করার আগে তার বয়স, শারীরিক সক্ষমতা, শিক্ষা এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিশ্চিত করা আবশ্যক।

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, শিশুদের মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষা অর্জন ও চরিত্র গঠন। তবে কোনো শিশুর মধ্যে বিশেষ কোনো কারিগরি দক্ষতা বা পেশাগত প্রতিভা দেখা দিলে তাকে সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে শিশুর কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

ফিকহের কিতাবসমূহে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশু এমন বয়সে পৌঁছালে যখন সে কোনো কাজ শেখার কষ্ট সহ্য করতে সক্ষম হয়, তখন তাকে উপযুক্ত কাজ শেখানো যেতে পারে। তবে কাজটি অবশ্যই তার বয়স ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, শিশুর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ইজ্জত-আব্রুর পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। যে কাজ বা পরিবেশে তার শারীরিক কিংবা মানসিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সেখানে তাকে নিয়োজিত করা বৈধ নয়।

এছাড়া শিশুর উপার্জিত অর্থ তার প্রয়োজনেই ব্যয় করতে হবে। অতিরিক্ত অর্থ থাকলে তা আমানত হিসেবে সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কাজের কারণে শিশুর পড়াশোনা বা শিক্ষাজীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়া যাবে না।

বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, শিশুর মেধা, চরিত্র ও শারীরিক বিকাশে ক্ষতিকর কোনো কাজে তাকে নিয়োজিত করা ইসলামে অনুমোদিত নয়। পাশাপাশি শিশুকে কাজে লাগানোর আগে তার অভিভাবক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির অনুমতি নেওয়াও আবশ্যক।

তাই ইসলামী শরিয়তের আলোকে বলা যায়, কোনো শিশু যদি পড়াশোনায় অনাগ্রহী হয় এবং তার কল্যাণের উদ্দেশ্যে অভিভাবকের সম্মতিতে কোনো দক্ষতা অর্জনের জন্য কাজে যুক্ত করা হয়, তাহলে তা বৈধ হতে পারে। তবে শিক্ষায় আগ্রহী এবং পড়াশোনার সুযোগ থাকা শিশুকে শ্রমে নিয়োজিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।