ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ , ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৪ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস সুরের ৩ বছর কারাদণ্ড ট্যাল্ক পণ্য নিয়ে মামলা নিষ্পত্তিতে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি জনসন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে আজ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শর্ত সাপেক্ষে মগবাজার আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স ফেরত টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে রিট যুদ্ধ বা শান্তির সময় নির্ধারণের অধিকার ইউএসকে দেওয়া হবে না:ইরান ‘ঝুঁকিপূর্ণ রুটে’ হরমুজ পার হচ্ছিল ছয়টি জাহাজ, দাবি ইরানের দীর্ঘ বিরতির পর আজ শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি: ইএসডিওর গবেষণায় উদ্বেগজনক দায়িত্ব নিয়েই যে অঙ্গীকার করলেন ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী এবার হোদেইদায় হামলা সৌদির, পাল্টা হুমকি হুথিদের নভোথিয়েটারে সামিটে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ভারতীয় নাগরিক নিহত পদত্যাগের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যেসব সুবিধা পাবেন ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল দ্রুত ঘোষণা করবে : মাছউদ রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে আসছেন স্পিকার ইরান থেকে সব দূতাবাসকর্মী প্রত্যাহার করে নিলো যুক্তরাজ্য দীর্ঘ ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দিল্লি থেকে শহরের পর শহরে ,রাজপথে নামছে জনতাও প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি নিশ্চিতে দ্রুত বিচার আদালত গড়ে তোলার ঘোষণা ম

ইসলামে শিশুশ্রমের বিধান কী? যেসব শর্তে শিশুদের কাজ শেখানোর অনুমতি রয়েছে

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১১:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১১:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৫ বার পঠিত
ইসলামে শিশুশ্রমের বিধান কী? যেসব শর্তে শিশুদের কাজ শেখানোর অনুমতি রয়েছে ছবি সংগৃহীত

ইসলামে জীবিকা অর্জনকে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হলেও শিশুদের শ্রমে নিয়োজিত করার ক্ষেত্রে রয়েছে সুস্পষ্ট কিছু নীতিমালা ও শর্ত। ইসলামী আইন অনুযায়ী, কোনো শিশুকে কাজে যুক্ত করার আগে তার বয়স, শারীরিক সক্ষমতা, শিক্ষা এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিশ্চিত করা আবশ্যক।

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, শিশুদের মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষা অর্জন ও চরিত্র গঠন। তবে কোনো শিশুর মধ্যে বিশেষ কোনো কারিগরি দক্ষতা বা পেশাগত প্রতিভা দেখা দিলে তাকে সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে শিশুর কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

ফিকহের কিতাবসমূহে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশু এমন বয়সে পৌঁছালে যখন সে কোনো কাজ শেখার কষ্ট সহ্য করতে সক্ষম হয়, তখন তাকে উপযুক্ত কাজ শেখানো যেতে পারে। তবে কাজটি অবশ্যই তার বয়স ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, শিশুর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ইজ্জত-আব্রুর পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। যে কাজ বা পরিবেশে তার শারীরিক কিংবা মানসিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সেখানে তাকে নিয়োজিত করা বৈধ নয়।

এছাড়া শিশুর উপার্জিত অর্থ তার প্রয়োজনেই ব্যয় করতে হবে। অতিরিক্ত অর্থ থাকলে তা আমানত হিসেবে সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কাজের কারণে শিশুর পড়াশোনা বা শিক্ষাজীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়া যাবে না।

বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, শিশুর মেধা, চরিত্র ও শারীরিক বিকাশে ক্ষতিকর কোনো কাজে তাকে নিয়োজিত করা ইসলামে অনুমোদিত নয়। পাশাপাশি শিশুকে কাজে লাগানোর আগে তার অভিভাবক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির অনুমতি নেওয়াও আবশ্যক।

তাই ইসলামী শরিয়তের আলোকে বলা যায়, কোনো শিশু যদি পড়াশোনায় অনাগ্রহী হয় এবং তার কল্যাণের উদ্দেশ্যে অভিভাবকের সম্মতিতে কোনো দক্ষতা অর্জনের জন্য কাজে যুক্ত করা হয়, তাহলে তা বৈধ হতে পারে। তবে শিক্ষায় আগ্রহী এবং পড়াশোনার সুযোগ থাকা শিশুকে শ্রমে নিয়োজিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।