ছুটির সময় আল্লাহর আনুগত্যে অতিবাহিত করুন। এটা এভাবে যে :
১. কুরআনে কারীম তেলাওয়াত করুন। কুরআনের কিছু অংশ হিফয করুন এবং সহীহ-শুদ্ধ করে পড়ার চেষ্টা করুন।
২. তাফাক্কুহ ফিদ্দীন-দ্বীনী ইলম ও দ্বীনী সমঝ অর্জনের চেষ্টা করুন। দ্বীন শিক্ষার বিভিন্ন কোর্সে বা যে সব মসজিদ বা দ্বীনী প্রতিষ্ঠানে এর ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে অংশগ্রহণ করুন।
৩. দ্বীনী কিতাব, পত্র-পত্রিকা ও ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন করুন।
৪. দ্বীনী জ্ঞান ও চেতনা বৃদ্ধি করে এমন ক্যাসেট শুনুন।
৫. দ্বীনী সভা-সেমিনার ও মজলিস-মাহফিলে অংশগ্রহণ করুন। সাধ্যমতো কিছু হাদীস মুখস্থ করুন এবং সে অনুযায়ী আমল করুন।
৬. আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা-সাক্ষাত করুন।
৭. সময়ের হিফাযত করুন। কেননা এ সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হবে। সম্পদের অপচয় ও অপব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা, আপনার নিকট থেকে এই সম্পদের হিসাব নেওয়া হবে।
৮. শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে মন্দ কাজে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। মন্দ বিষয় শোনা, মন্দ দৃশ্য দেখা ও মন্দ কাজ করা থেকে পরহেয করুন এবং সব ধরনের মন্দ স্থান থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
৯. সাধ্য থাকলে ওমরা করুন এবং মসজিদে হারামে নামায পড়ুন।
১০. মসজিদে নববী যিয়ারত করুন এবং সেখানে নামায পড়ুন এবং নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রওযায় সালাম পেশ করুন।
১১. আপনার সন্তানদেরকে হিফয খানা বা গ্রীষ্মকালীন দ্বীনী কর্মশালায় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করুন।
১২. অবসরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোথাও বেড়িয়ে আসুন। এতে জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে এবং চিন্তা-শক্তি বিকশিত হবে।
১৩. প্রত্যেক কাজ সমাপ্ত করার পর ভালো-মন্দের পর্যালোচনা করুন। ভালো কাজগুলোর জন্য আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করুন। আর ভুল ত্রুটিগুলোর জন্য আল্লাহর দরবারে ইস্তিগফার করুন এবং আগামীতে বিরত থাকার সংকল্প করুন।
সংগৃহীত - (অনুবাদ- মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ ; আল কাউসার ওয়েবসাইট থেকে)
ডেস্ক রিপোর্ট