কক্সবাজারে নবনির্মিত গ্যাস স্টেশনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১৫
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৬-০২-২০২৬ ১০:৪৫:১১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৬ ১১:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭১ বার পঠিত
কক্সবাজার পৌরসভার কলাতলী এলাকায় নবনির্মিত একটি গ্যাস স্টেশনে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জন দগ্ধ হয়েছেন।
কক্সবাজার পৌরসভার কলাতলী এলাকায় নবনির্মিত একটি গ্যাস স্টেশনে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জন দগ্ধ হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ ঘটে বলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমি উদ্দিন জানিয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই পাম্পে গ্যাস লিক করা শুরু হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গ্যাস বাতাসে মিশে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা গ্যাসে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।’ খবর বিডিনিউজের।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গ্যাসের তীব্র গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। আমরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিই। রাত ১০টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়।’ তিনি বলেন, বিস্ফোরণের পর পাম্পের কয়েকটি স্থানে আগুন ধরে যায় এবং সামনের কয়েকটি স্থাপনাতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলের আশপাশে আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। বিস্ফোরণের পরপরই এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম জানান, গ্যাস ছড়িয়ে পড়া এলাকা থেকে বাসিন্দাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আশপাশে আগুন না জ্বালাতে মাইকিং করা হচ্ছে।
কক্সবাজার শহরের অন্যতম প্রবেশমুখ কলাতলী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তাতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী যাত্রীরা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, ‘ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।’ তবে দেড় ঘণ্টার চেষ্টাতেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি বলে জানান তিনি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সাবুক্তগীন মাহমুদ শহেল বলেন, দগ্ধ মোট ১৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছয়জনকে এ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত একজনকে ঢাকায় এবং আটজনকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। ওসি ছমি উদ্দিন বলেন, উৎসুক জনতাকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হচ্ছে এবং অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস লিকেজ হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।