প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আব্দুল মালেকদের বহনকারী সিএনজিটি রামু থেকে কঙবাজার শহরে দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আাসা একটি ডাম্প ট্রাক সিএনজিটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন আব্দুল মালেকসহ সিএনজিতে থাকা যাত্রীরা। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল মালেককে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আবদুর রহীম জিহাদী জানান, সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আবদুল মালেক রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা এলাকায় অবস্থিত কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তিন দিনের একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছিলেন। বুধবার ছিল প্রশিক্ষণের শেষ দিন। প্রশিক্ষণ শেষে কঙবাজার ফেরার পথেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, আব্দুল মালেক কঙবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক হিমছড়ি পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ রক্ষা, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সক্রিয় ছিলেন।
সহকর্মীরা জানান, মালেক ছিলেন সাহসী ও স্পষ্টভাষী একজন সংগঠক। দ্বীপবাসীর নানা সমস্যা তুলে ধরতে তিনি নিয়মিত লেখালেখি ও সংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে যেতেন। তার মৃত্যুতে দ্বীপের পরিবেশ আন্দোলনে বড় শূন্যতা সৃষ্টি হলো বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
রামু হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ নাসির উদ্দীন জানান, গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ডেস্ক রিপোর্ট