আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে ভোটের দিন এবং তার আগে ও পরে নির্দিষ্ট কিছু নৌযান চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ইসি সচিবালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সব ধরনের লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত বোট চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে সাধারণ যাত্রী, ভোটার ও জরুরি সেবার সুবিধার্থে দূরপাল্লার নৌযান এবং নির্দিষ্ট রুটে নিয়মিত চলাচলকারী নৌযানগুলোকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সাংবাদিক, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে এই নিয়ম শিথিল করা যাবে। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিত নৌযানগুলো কোনো বাধা ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। নির্বাচন কমিশন আরও স্পষ্ট করেছে যে, ভোটারদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত স্থানীয় ছোট নৌযানগুলো চলাচলে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।
পণ্য সরবরাহ ও বিশেষ প্রয়োজন বিবেচনায় প্রধান প্রধান নৌপথে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি থাকবে বলেও নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।
(সূত্র: বাসস)
ডেস্ক রিপোর্ট