শনিবার সকালে ডাইনিং টেবিলে ওই কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি দেখে অনুসন্ধানে নামে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে জানা যায়, তারা কাউকে কিছু না জানিয়েই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে গেছেন। প্রকল্প পরিচালক রামানাথ পূজারি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ওই কর্মকর্তারা ‘নিরাপত্তাহীনতার’ অজুহাত দেখিয়েছেন। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসারসহ চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় থাকার পরও এমন দাবিকে রহস্যজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশত্যাগ করা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— এনটিপিসি থেকে প্রেষণে আসা জিএম সিউজ প্রতিম ভর্মন, জিএম বিশ্বজিৎ মণ্ডল, জিএম এন-সুরায়া প্রকসা রায়, এজিএম কেসাবা পলাকী, ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মন্দেকার, ডিজিএম সুরেন্দ্র লম্বা, এজিএম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজিএম অর্নিবান সাহা এবং সিএফও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলে যাওয়ার আগে তারা কখনোই নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ বা সমস্যার কথা জানাননি।
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, কোনো দাপ্তরিক অনুমতি বা তথ্য ছাড়াই তাদের চলে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দুজন বোর্ড সদস্য ঘটনাটি নিশ্চিত করলেও বিদ্যুৎ সচিব ও পিডিবি চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্পর্শকাতর এই জাতীয় বিদ্যুৎ প্রকল্পে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এমন রহস্যজনক আচরণ নিয়ে প্রশাসনিক মহলে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।