নির্বাচনের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড: ১৬ হাজার বিএনসিসি ক্যাডেট মাঠে নামাচ্ছে ইসি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৩-০১-২০২৬ ০২:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৩-০১-২০২৬ ০২:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ১৬ হাজারেরও বেশি বিএনসিসি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর) সদস্যকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে বিএনসিসির মহাপরিচালকের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই চমকপ্রদ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ইসি সচিবের তথ্যমতে, বিএনসিসি সদস্যরা মূলত নির্বাচনী মাঠে ‘স্বেচ্ছাসেবক’ হিসেবে কাজ করবেন। তবে তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব, অবস্থান এবং কমান্ড স্ট্রাকচার বা কার অধীনে তারা কাজ করবেন, সেই বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আগামী রোববার আরও একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সচিব বলেন, “নীতিগতভাবে আমরা বিএনসিসিকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন তাদের ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান বা মাঠপর্যায়ে মোতায়েনের নকশা তৈরি করা হবে।” মূলত বিশাল জনবল সামলানো এবং ভোটারদের সহায়তার জন্যই এই ভলান্টিয়ার বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।
এবারের নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আট লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে কেবল সেনাবাহিনী থেকেই প্রায় এক লাখ সদস্য মাঠে থাকবেন। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জনবল ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে ইসি। বিএনসিসির এই তরুণ ক্যাডেটদের অন্তর্ভুক্তি কেবল মাঠের শৃঙ্খলা রক্ষায় নয়, বরং সাধারণ ভোটারদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।