ইসি সচিবের তথ্যমতে, বিএনসিসি সদস্যরা মূলত নির্বাচনী মাঠে ‘স্বেচ্ছাসেবক’ হিসেবে কাজ করবেন। তবে তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব, অবস্থান এবং কমান্ড স্ট্রাকচার বা কার অধীনে তারা কাজ করবেন, সেই বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আগামী রোববার আরও একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সচিব বলেন, “নীতিগতভাবে আমরা বিএনসিসিকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন তাদের ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান বা মাঠপর্যায়ে মোতায়েনের নকশা তৈরি করা হবে।” মূলত বিশাল জনবল সামলানো এবং ভোটারদের সহায়তার জন্যই এই ভলান্টিয়ার বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।
এবারের নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আট লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে কেবল সেনাবাহিনী থেকেই প্রায় এক লাখ সদস্য মাঠে থাকবেন। প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জনবল ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে ইসি। বিএনসিসির এই তরুণ ক্যাডেটদের অন্তর্ভুক্তি কেবল মাঠের শৃঙ্খলা রক্ষায় নয়, বরং সাধারণ ভোটারদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।