নিহত আসাদুল ইসলাম ওই কারখানার সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—বয়লার হেলপার মো. আব্দুল হাকিম (সিরাজগঞ্জ), ইলেকট্রিশিয়ান মো. আব্দুল বাশার চেস্তি (বগুড়া) এবং ঢাকা থেকে সার্ভিস দিতে আসা টেকনিশিয়ান গোলাম রব্বানী। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় থার্মাল অয়েল হিটার মেশিনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছিল। কাজ চলাকালীন হঠাৎ মেশিনে ‘ব্যাকফায়ার’ হলে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয় এবং চারপাশের যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারখানার রেসিডেন্স ম্যানেজার শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে সব ধরনের আর্থিক ও মানবিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট